3 Answers
আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, যা হলো প্রচুর পানি পান করুন। লবণ-পানি দিয়ে বারবার কুলি করুন। মেডিকেটেড মাউথওয়াশ বা অ্যান্টিসেপটিক জেল ব্যবহার করতে পারেন। ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের সঠিক চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ভিটামিন ‘বি’-র স্বল্পতা, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, মুখ অপরিষ্কার, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। জর্দা দিয়ে পান ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন এর ওষুধ সেবন করুন।
আমাদের মুখে অনেক সময়ই লাল ছোট ছোট গর্তের মত হয়ে যায়। এতে করে খুব ব্যাথা ও জ্বালাপোড়া হয় ঐ স্থানে। আস্তে আস্তে ব্যাথা বেড়ে তীব্র মুখের ঘা এর বিভিন্ন ধরনের হয়। যেমন- মাইনর এপটাস আলসার, মেজর এপটাস আলসার ও হারপেটিফরম এপটাস আলসার। মুখের এই ঘা হয়ার কারণ কি তা জানা গেলে এটি প্রতিরোধও করা যেত। আসুন জেনে নেই মুখে এই আলসার হওয়ার কারণে হয়। ১। ভিটামিন ও আয়রনের স্বল্পতার কারণে। যেমন ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২ অথবা অন্য কোন ভিটামিন। ২। হরমোনাল কারণেও এটি হতে পারে। অনেক সময় মেয়েদের মাসিক এর আগে অথবা পরে এই আলসার হয়। মেনোপজ এর পরেও এই আলসার হতে থাকে। ৩। মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হইয় অনেক সময় যার কারণে এই ঘা হয়। জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করলে এটি হয়। ৪। ধূমপান, নেশা জাতীয় জিনিস, পান, মদ খেলেও মুখে ঘা হয়। ৫। যাদের এইডস, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদের হয়। ৬। রাতে ঘুম না হলে অথবা দেরি করে ঘুমালে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলে মুখে ঘা হতে পারে। ৭। বংশ গত কারনেও মুখের ভিতর আলসার হয়। ৮। মুখে অ্যালার্জি থাকলে তাও ঘা-এর কারণ হতে পারে। ৯। ঠাণ্ডা লাগলে মুখে ঘা হতে পারে। কিভাবে মুখের ঘা থেকে প্রতিকার সম্ভব – ১। রাস্তা ঘাট কিংবা বাইরের পানীয় না খাওয়া। ২। রাতে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমান। ৩। ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া। ৪। নরম দাঁত ব্রাশ ব্যবহার করুন যেটায় চাপ বা ঘষা লাগবে না। ৫। সাধারণত ৭ দিনের মধ্যে এই ঘা ভালো হয়ে যায়। যদি না হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক কিছু পেস্ট বা জেল ব্যবহার করুন। মাউথ ওয়াশ মুখের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এটিও ব্যবহার করা যেতে পারে। ৬। ঘরে বসে গরম পানিতে লবন অথবা বেকিং সোডা দিয়ে কুলি করলে আরাম পাবেন। তাছাড়া ১ চিমটি বেকিং সোডা আর একটু পানি নিয়ে মিশিয়ে ঘা এর উপর লাগিয়ে রাখতে পারেন।
পানিতে নিমপাতা দিয়ে গরম করে তাতে লবণ দিয়ে দিনে ২~৩ বার কুলি করুণ । এবং মুখের ঘা কে অবহেলা না করে ডাক্টার দেখানো ভালো ।