4 Answers

যাদের দ্রুত বীর্যপাত হয় তাদের জন্য এই খাদ্য তালিকা মেনে চলুন যৌন জীবন সমৃদ্ধ করুন যাদের দ্রুত বীর্য স্খলন/ বীর্যপাত হয় তারা খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনূন। দ্রুত বীর্যপাত(Quick ejaculating) রোধে ও যৌন জীবনকে উপবোগ্য করতে নিচের খাদ্য তালিকা অনুসরণ করুন। মনে রাখবেন কোন কিছু হতে টাইম লাগে না কিন্তু ঠিক হতে টাইম রাগে। আবার কারো কারো অল্প কিছুদিনের ভিতর সমাধন হয় আবার কারো কারো টাইম বেশি লাগে কারণ সবার শরীরের অবস্থা একই রকম না।।

 

⇒ দ্রুত বীর্যপাত রোধে কম কোলস্টেরল ও কম চিনি(Sugar) সমৃদ্ধ খাবার খান। 

⇒ প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক কাপ গরম দুধের সাথে ১০ টি বাদাম (পানিতে ভিজিয়ে রাখা), জাফরান, এক চিমটি আদা(Ginger) ও এক চিমটি এলাচ মিশিয়ে খান।


 ⇒ যৌন জীবনকে উপভোগ করতে নিয়মিত পুষ্টিকর(Nutritious) খাবার খান। 

♦ মনে রাখবেন যৌন জীবনে অশান্তি মানেই হলো আপনার জীবন তেজপাতা !

15583 views Answered
Dr. Md Rushad Rahman
এমবিবিএস, পিজিটি (মেডিসিন)
মেডিকেল অফিসার প্যারামাউন্ট মেডিকেল সেন্টার, ঢাকা

দ্রুত বীর্য পাতের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

15583 views Answered

দ্রুত বীর্যপাত অনেক কারণে হয়ে থাকে। অতি উত্তেেজনা, পাতলা বীর্য, হতাশাগ্রস্ত, নেশাগ্রস্থ, অসুস্থ অবস্থায় সেক্স করলে দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে। তাই উপরোক্ত কারণ উপস্থিত থাকলে আগে তার সমাধান করতে হবে। প্রাকৃতিক খাবারের মধ্যে পেয়ারা,খেজুর, কাঠ বাদাম,মধু ইত্যাদি বীর্য বাড়ায়, এগুলো নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।তাছাড়া সেক্স করার সময় উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রেখে চুমু সহ অন্যান্য আনন্দ করে তারপর সেক্স করলে দ্রুত বীর্যপাত রোধ সম্ভব। টেন্সন ফ্রি থেকে, রাত না জেগে নিয়মিত খাওয়া, বিশ্রাম ইত্যাদি ঠিক রাখলে ভাল উপকার পাবেন আশা করি।

15583 views Answered
Dr Md Billal Hossain
ভিডিও কল এ রোগী দেখার সময়ঃ-
প্রতি দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকাল ৪ টা থেকে রাত ১২ টা চেম্বার এ রোগী দেখার সময়ঃ- .

দ্রুত বীর্য পাতের কারণ ঃ- 

.
🟩 যৌন অক্ষমতা প্রধানত দু'রকম ।
১) ছেলেদের ক্ষেত্রে ধ্বজভঙ্গ ( লিঙ্গ শক্ত না হওয়া ) বা ( impotence )
২) দ্রুত বীর্য পতন এবং মেয়েদের বেলায় কামশীতলতা ( figidity ) ।
.
🟩ধ্বজভঙ্গ দুটি কারণে হতে পারে ।
( এক ) শারীরিক কারণে
( দুই ) মানসিক কারণে ।
.
🟩 শারীরিক কারণগুলো হতে পারে :
১ ) ডায়াবিটিস
২ ) থাইরয়েড সমস্যা
৩ ) কিডনির সমস্যা
৪ ) রক্তহীনতা
৫ ) হার্টের বা লিভারের সমস্যা
৬ ) হাই ব্লাডপ্রেশারের ওষুধ খাওয়া
৭ ) টেনশনের ওষুধ খাওয়া
৮ ) স্টেরয়েড গ্রহণের অভ্যাস
৯ ) বার্ধক্যের কারণে
১০) নানা ধরনের হরমোনের সমস্যার কারণে ।
.
★ এইসব শারীরিক কারণে ও উল্লিখিত ওষুধ গ্রহণের কারণে ধ্বজভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে শতকরা প্রায় ১০ ভাগ রোগীর ।
.
🟩 আর মানসিক কারণে ধ্বজভঙ্গ হয় শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ রোগীর ।
.
★ কিছু কিছু ধর্মগুরুদের ও হাতুরেদের ইউটিউব ভিডিওতে ও লেখাপত্তরে আছে - চল্লিশ দিনে এক ফোঁটা বীর্য তৈরি হয় । হস্তমৈথুন ধ্বজভঙ্গ ঘটায় ইত্যাদি ।
.
★ এমন ভুল ও মিথ্যে কথায় বিশ্বাস করার কারণে কোনো বিবাহিত যদি বীর্যস্খলনের ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে , তবে তার ধ্বজভঙ্গ হতে পারে ।
★ স্ত্রীর তুলনায় নিজেকে খুব ছোট , হীন মনে করলে স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সময় লিঙ্গ উত্থিত নাও হতে পারে অথবা দ্রুত পতন হতে পারে ।
★ মিলন স্থায়িত্ব যেখানে ১০-১৫ মিনিট হওয়াটা স্বাভাবিক সেখানে ২-৩ মিনিটে স্খলনকে দ্রুত পতন বলব ।
★ পায়ুমৈথুন প্রিয় পুরুষ/ সমকামী স্ত্রীযোনির প্রতি আকর্ষণ অনুভব না করতে পারার কারণে ধ্বজভঙ্গের শিকার হতে পারে ।
★ পশুদের সঙ্গে সঙ্গম - প্রিয় মানুষ নারীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব না করতেই পারে ।
★ বয়স ৫০ বছর পার হলে ধ্বজভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে ।
৬০ - এর পর এই সম্ভাবনা বাড়ে ।


এবার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা যাকঃ-

বেশী বেশী যে খাদ্য খাবার গুলা খাইতে হবে,

১)প্রতিদিন সবুজ শাক

২)সপ্তাহে ৩ দিন পেপে

৩)সপ্তাহে ৩দিন সমুদ্রের মাছ/ নদীর মাছ

৪)সপ্তাহে ১/২ দিন কবুতরের বাচ্চা/ছোট মুরগী / মাংস

৫)প্রতিদিন দুধ/ডিম


৬) বাদাম : সকল ধরনের বাদামেই আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল যা দেহের যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং বীর্য তৈরি ও ঘন হতে সাহায্য করে। এর মধ্যে এ্যলমন্ড (কাঠ বাদাম) চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম খাওয়া বেশি ভাল।


৭। তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী।





খাদ্য তালিকায় কিছু বাড়তি খাবার যোগ করতে হবে যেমন,

প্রতিদিন এর রুটিন

১)কাচা ছোলা-৩০ গ্রাম

২)কাচা বাদাম-২০ গ্রাম

৩)কিসমিস-১০ গ্রাম

৪)শুকনা খেজুর- ৫ পিস

৫)বেদনা/আপেল/কমলা/আঙ্গুর -১০০ গ্রাম মাত্রায়

কিছু করণীয়

১)সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠতে হবে

২)১/২ কি.মি. হাটতে হবে

৩)বাসায় ফিরে রাতে ভিজিয়ে রাখা ছোলা,বাদাম,কিসমিস,খেজুর খেয়ে নেয়া

৪)একটু বিশ্রাম নেয়া। তার পর আপনার দৈনন্দিন কাজ করা।

প্রতিদিন টাইম মত সকালের খাওয়া, দুপুরের খাওয়া, রাতের খাওয়া ৯ টার সাথে সাথে খেয়ে ১০ টার সময় ঘুমাতে যাওয়া। কোন ভাবেই অতিরিক্ত রাত জাগা যাবে না।

15583 views Answered

Next steps