1 Answers

  • ডায়েবেটিক পেরিফেরাল নিউরােপ্যাথি সাথে সংগঠিত নিউরােপ্যাথিক ব্যথা: যে সব রােগীদের ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স প্রতি মিনিটে ৬০ মি.লি. তাদের ক্ষেত্রে নিউরােলিন (প্রিগাবালিন) এর সর্বোচ্চ নির্দেশিত মাত্রা হল ১০০ মি.গ্রা. দিনে ৩ বার (দৈনিক ৩০০ মি.গ্রা.)। 
  • কার্যকারিতার উপর নির্ভর করে দিনে ৩ বার ৫০ মি.গ্রা. ওষুধ প্রদান শুরু করা উচিত, যা পরে দৈনিক ৩০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। 
  • পার্শিয়াল অনসেট সিজার এর সহযােজিত চিকিৎসায়: নিউরােলিন (প্রিগাবালিন) প্রাপ্ত বয়স্কদের পার্শিয়াল অনসেট সিজারে দৈনিক ১৫০-৬০০ মি.গ্রা. সেবন মাত্রায় কার্যকারিতা প্রদর্শন করে। দৈনিক সর্বমােট মাত্রাকে বিভক্ত করে ২ অথবা ৩ বার। 
  • সাধারণভাবে ইহা সুপারিশকৃত যে রােগীকে দৈনিক সর্বমােট সর্বোচ্চ ১৫০ মি.গ্রা. (৭৫ মি.গ্রা. দিনে ২ বার অথবা ৫০ মি.গ্রা. দিনে ৩ বার) মাত্রায় প্রদান করা হবে। প্রত্যেক রােগীর ক্রিয়া এবং সহনশীলতার উপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ দৈনিক ৬০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।

 

হঠাৎ করে অথবা দ্রুত প্রিগাবালিন খাওয়া বন্ধ করলে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন, অনিদ্রা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা এবং পাতলা পায়খানা। তাই প্রিগাবালিন হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে সেবনমাত্রা কমিয়ে কমপক্ষে ১ সপ্তাহ সময় নিয়ে বন্ধ করা উচিত। প্রিগাবালিন চিকিৎসায় ক্রিয়েটিন কাইনেজ বেড়ে যেতে পারে। মায়োপ্যাথি দেখা দিলে অথবা ক্রিয়েটিন কাইনেজ লেভেল বেড়ে গেলে খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

 

নুরেলা ক্যাপসুল সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে নুরেলা

1627 views