1 Answers

  • স্বাভাবিক অথবা কৃত্রিম মেনােপােজের লক্ষণসমূহের চিকিৎসায় প্রতিদিন ২.৫ মি.গ্রা.।
  • মেনােপােজ পরবর্তী অস্থিয় রােধ অনুমােদিত মাত্রা: ২.৫ মি.গ্রা. প্রতিদিন। 
  • প্রতিদিন একই সময়ে ওষুধ সেবন প্রযােজ্য। 
  • ওষুধ শুরু করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লক্ষণসমূহের উন্নতি পরিলক্ষিত হয়। 
  • অবশ্য সম্পূর্ণ সুফল পেতে হলে অন্তত ৩ মাসব্যাপী ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে। 
  • চিকিৎসার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী স্বল্পতম সময়ের জন্য টিবোেলন সেব্য। 
  • ছয় মাসের অধিক সময়ব্যাপী চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সুফল ও ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনাপূর্বক চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। 
  • টিবােলন আরম্ভ করার সময় লক্ষণীয় স্বাভাবিক মেনােপােজ হয়েছে এমন মহিলাদের ক্ষেত্রে শেষবার মাসিকের অন্তত ১২ মাস পর টিবােলন শুরু করতে হবে। 
  • সার্জারীজনিত মেনােপজের ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব টিবােলন শুরু করতে হবে। 
  • কম্বাইন্ড অথবা শুধুমাত্র ইস্ট্রোজেন নির্ভর এইচ আর টি এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইস্ট্রোজেন পিল হতে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একবার উইথড্রয়াল ব্লিডিং এর পর টিবােলন শুরু করতে হবে।
  • সিকোয়েন্সিয়াল এইচ টি হতে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রােজেস্টোজেন ফেইজ শেষ হবার পর টিবােলন শুরু করতে হবে। 
  • কন্টিনিউয়াস কম্বাইন্ড এইচ টি হতে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যেকোন সময় টিবােলন শুরু করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন প্রকার অস্বাভাবিক মাসিক হলে টিবােলন শুরুর পূর্বে এর যথাযথ কারণ নির্ণয় প্রয়ােজন। 
  • ট্যাবলেট সেবন বাদ পড়লে ১২ ঘন্টা অতিক্রম না করলে মনে পড়ার সাথে সাথে ওষুধ সেবন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তীতে পূর্বের মাত্রা যথানিয়মে চালিয়ে যেতে হবে। 

 

 

 

মেনোবন ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এই লিঙ্ক থেকে মেনোবন

1605 views