1 Answers
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বলতে সরকার কর্তৃক নিয়োজিত নিবন্ধক অফিসে ব্যবসায়ের নাম তালিকাভুক্তকরণকে বোঝায়।বাংলাদেশের অংশীদারি আইন ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না হলেও অনিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায় থেকে নিবন্ধিত ব্যবসায়গুলো বেশ কিছু অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করে।নিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায়ের যে কোনো অংশীদারই অন্য কোনো অংশীদারের বিরুদ্ধে চুক্তিতে উল্লিখিত অধিকার আদায়ের জন্য মামলা করতে পারে যেটি অনিবন্ধিত ব্যবসায় পারে না। নিবন্ধিত না হলে চুক্তিতে উল্লিখিত অধিকার আদায়ের জন্য অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধেও মামলা করতে পারে না।অন্যদিকে তৃতীয় কোনো পক্ষ যদি অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে না। অন্যদিকে তৃতীয় কোন পক্ষ যদি অনিবন্ধিত অংশীদারি দাবী করতে পারে না। তাছাড়া অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় কোন পক্ষের বিরুদ্ধে ১০০টাকার বেশি পাওনা আদায়ের জন্য মামলা করতে পারে না। সুতরাং বলা যায় নিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায় যেহেতু অনিবন্ধিত ব্যবসায় থেকে কিছু বেশি সুবিধা ভোগ করে, সেহেতু অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন করাটাই বেশি যৌক্তিক। অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধন করার জন্য আবেদনপত্রের সাথে যেসকল বিষয় উল্লেখ করতে হয় সেগুলো হলো
অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের নাম
প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা
শাখা কার্যালয় থাকলে সেগুলোর ঠিকানা
ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য
ব্যবসায় মোট কার্য্কাল বা স্থায়িত্ব কাল
অংশীদারদের নাম, ঠিকানা ও পেশা
অংশীদার হিসেবে ব্যবসায়ে যোগদানের তারিখ
সকল অংশীদারের স্বাক্ষরসহ আবদেনপত্রটি নিবন্ধন অফিসে জমা দিলে নিবন্ধক তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। উপরোক্ত বিষয়ে সন্তুষ্ট হলে উক্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত করবেন এবং পত্র দ্বারা তা জানিয়ে দিবেন। পত্র প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy