2 Answers
অনেকে হাত কাঁপার জন্য গুছিয়ে কিছু করে উঠতে পারেন না। হাত কাঁপার রয়েছে বহুবিধ কারণ।
শারিরিক দুর্বলতাও থেকে, ওঅতিরিক্ত
দুশ্চিন্তা, উত্তেজনা বা ভয়ের কারণে হাত কাঁপে। অতিরিক্ত কফি এবং অ্যালকোহল সেবনও হাত কাঁপার জন্য দায়ী। থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য হলে হাত কাঁপতে পারে। হাঁপানি রোগীদের ব্যবহূত সালবিউটামল ও থিওফাইলিন ওষুধ বা ইনহেলার, মৃগীরোগীদের ব্যবহূত বিভিন্ন খিঁচুনির ওষুধ এবং মানসিক রোগে ব্যবহূত লিথিয়াম ওষুধের কারণেও হাত কাঁপতে পারে।
পারকিনসন রোগ মস্তিষ্কের একটি সমস্যা, যাতে চলাফেরায়, কাজকর্মে জড়তার পাশাপাশি হাতে কাঁপুনি দেখা দেয়। মস্তিষ্কের সেরিবেলাম অংশে সমস্যা হলেও হাত কাঁপতে পারে। হঠাৎ করে অ্যালকোহল বা অন্য মাদকদ্রব্য ছেড়ে দিলে তার প্রতিক্রিয়ায় হাত কাঁপতে পারে। কোনো কোনো সময় হাত দিয়ে কোনো কিছু ধরতে গেলে বা সূক্ষ্ম কাজ করতে গেলে কাঁপুনি শুরু হয়। এটি বয়স্কদের ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীদের বেশি হয়। ডায়াবেটিসের রোগীদের হাত কাঁপতে শুরু হলে চিনির মাত্রা কমে গেছে কি না লক্ষ করুন। এক গ্লাস চিনির শরবত বা গ্লুকোজ দ্রবণ খেয়ে নিলে এই কাঁপুনি থেমে যাবে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, কফি ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। কাঁপুনি হয় এমন কোনো ওষুধ সেবন করছেন কি না দেখুন। তার পরও কাঁপুনি হলে স্নায়ু, মস্তিষ্ক, হরমোন বা অন্য কোনো রোগ আছে কি না জানার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
সোর্সঃ মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল।
পারকিনসন রোগের লক্ষন (একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারই সঠিক কারন বলতে পারেন)। এ রোগের প্রতিকার: ১. নিজেকে অতিমাত্রায় ক্লান্ত করে তুলবেন না। বিশ্রামের বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করুন, কেননা চাপ, এবং অবসাদ দুটোই এই রোগের উপসর্গগুলোকে আরও খারাপ দিকে নিয়ে যেতে পারে। ভালো খাবার খান এবং নিজের প্রতি আরও যত্নশীল হোন। ২. ফিজিকাল থেরাপি, পেশিতে যত্ন সহকারে ম্যাসাজ এবং যোগ ব্যায়াম হয়তো আপনার চলাচলকে সাবলীল করে তুলতে পারে, কিন্তু এ ধরনের কোন উদ্যোগ নেবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।