3 Answers
আপনি পানি কম খান এটাই অতিরিক্ত ঘামানোর কারন। অনেকের ধারণা পানি বেশি খেলে ঘাম বেশি হবে। কিন্তু এটা একদম ভুল, বাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। ঘাম পানির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়, শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য হয়। বেশি বেশি পানি পান করুন তাহলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা সহনীয় থাকবে ফলে ঘামও কম হবে। আপনার জন্য বাড়তি ট্রিক্সের দরকার নেই খালি ভুল ধারণাটা ঝেড়ে ফেলুন আর উলটো অভ্যাস গড়ে দেখুন, আশা করি উপযুক্ত ফল পাবেন।
আপনি নিম্নলিখিত উপায়ে ঘাম কমাতে পারেন---- বেকিং সোডা----বেকিং সোডা শরীরকে অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে রক্ষা করে। পরিমাণমতো পানির সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এই পেস্টের সঙ্গে পছন্দমতো তিন থেকে চার ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে নিয়ে বগলে এবং যে সব জায়গা বেশি ঘামে সেসব জায়গায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যাবে। লালচা----অতিরিক্ত ঘাম কমাতে লাল চা বেশ কার্যকারী। লাল চা’য়ে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড ঘাম প্রতিরোধ করতে পারে। তিন থেকে চার কাপ গরম পানিতে একটি বা দুইটি টি-ব্যাগ ভিজিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর ওই পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে বগল ও গলায় লাগাতে হবে। টমেটোররস-----টমেটোতে আছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট যা ঘাম গ্রন্থিকে সংকুচিত করে।এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন এক কাপ করে তাজা টমেটোর রস খেতে হবে। পরের সপ্তাহ থেকে এক দিন পরপর এককাপ করে টমেটোর রস পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। অন্যান্য পরামর্শ --------- *ডিওডরেন্ট বা অন্য ঘাম প্রতিরোধক লাগানোর সময় শরীর ঠিকভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। * মসলাযুক্ত খাবার ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। * মাথার ত্বককে ঘাম থেকে রক্ষা করতে ‘ড্রাই’ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে। * ধূমপান, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন নিলে স্বাভাবিকের চেয়ে শরীর ঘামে বেশি। তাই যতটা সম্ভব এসব পরিহার করতে হবে।
সারাদিন বেশি পানি পান করতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকবে। গোসলের সময় ‘অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল’ সাবান ব্যবহার করতে হবে। ধূমপান, যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ মানসিক চাপ অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার অন্যতম কারণ। পানি সমৃদ্ধ তাজা ফল ও শাক- সবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।