7 Answers
ব্রণ থেকে মুক্তির উপায় : কিছু নিয়ম অবলম্বন করলেই ব্রণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অনেকের ধারণা, কোনো বিশেষ খাবার খেলেই ব্রণ হয়ে থাকে। আসলে এটি ঠিক নয়। কোনো খাবার খেলে যদি ব্রণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে সে খাবারটি বাদ দিতে হবে। তবে প্রচুর ফলমূল ও পানি খেতে হবে। মুখে বেশি ব্রণ থাকলে রাসায়নিক কোনো উপাদান বা কসমেটিক ব্যবহার করা ঠিক নয়, যথাসম্ভব প্রাকৃতিক বা হারবাল জিনিস ব্যবহার করা ভালো কারণ এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
মুখের একটু যত্ন নিলেই ব্রণঃ উঠা প্রতিরোধ করা যায় যেমনঃ ১। সবসময় পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখা ২। ধূলিকণা থেকে মুখকে বাঁচাতে হবে প্রয়োজনে মাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে, ৩। শরীরে এলার্জি থাকলে, এলার্জি জাতীয় খাবার পরিত্যক্ত করা, ৪। বেশী করে পানি পান করা যথটা সম্ভব চিন্তা মুক্ত থাকা ৫। মুখের তেলতেলে ভাব দূর করার জন্য মাশ্চারাইজার ব্যবহার করা এবং ফ্রেশওয়াস ৬। সাবান দিয়ে মুখ না ঘর্ষা
ব্রণের হাত থেকে নিস্তার পাবার কিছু ভেষজ উপায় - ১) ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হলো অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। ব্রণ শুধু মুখে নয়, শরীরের অন্যান্য অংশেও হতে পারে। তাই স্ক্রাবিং পুরো দেহের জন্যই প্রযোজ্য। পাকা পেঁপে চটকে নিন এক কাপ। এর সাথে মেশা এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস। ২)পুদিনা পাতা ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ব্রণের সংক্রমণ কমাতে খুবই উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর হয়ে যাবে। অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে যেসব ফুসকুড়ি এবং ব্রণ হয় সেগুলো দূর করতেও পুদিনা পাতা উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট এরপর ধুয়ে ফেলুন। ৩)পুদিনা পাতার রস করে নিয়ে সেটা দিয়ে আইস কিউব তৈরি করুন। ফুসকুড়ি ও ব্রণের এই আইস কিউব ঘষুন ১০-১৫ মিনিট। এতে ফুসকুড়ি ও ব্রণের সংক্রমণ তো কমবেই সাথে ত্বকের জ্বালাপোড়াও দূর করবে। ৪) লবঙ্গ মূলত মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও ব্রণ সারাতে তা খুবই কার্যকর। লবঙ্গের তেল দিয়ে ত্বক মাসাজ করা খুবই উপকারী। ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ বেড়ে গেলে লবঙ্গ গুঁড়ো করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের জায়গাগুলোতে মিশ্রণের মোটা প্রলেপ দিন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ৫) টক স্বাদের কদবেল খেতে অনেকেই ভালবাসেন। কাঁচা কদবেলের রস ব্রণের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা কদবেলের রস তুলাতে ভিজিয়ে ব্রণ আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণের সংক্রমণ বেশি হয়। তাই সবসময় মুখ পরিষ্কার রাখুন। * বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠা-া পানির ঝাপটা দিন। * দিনে কমপে দু বার গোসল করুন। * প্রতিদিন অন্তত তিন-চার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। ব্রণের উৎপাত অনেকটা কমে যাবে। * মুখে সাবান ব্যবহার না করে ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন। * বেশি করে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। * পেট পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়। * নিয়মিত সবুজ শাকসবজি আর টাটকা ফলমূল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়। * সব থেকে প্রচুর পানি খেতে হবে।
সরিষা মুখে ব্রণ বা অন্য কোনও সমস্যা হলে সরিষা দারুণ কাজ করে। এতে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড রয়েছে যা সংক্রমণকে ধ্বংস করে দেয়। তাই টেবিল চামচের এক-চতুর্থাংশ সরিষা গুড়া নিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে নিন। মুখে এই মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে মুছে ফেলুন। সবুজ চা বেশি করে সবুজ চা ফুটিয়ে সেই পানি ঠান্ডা করে তা মুখে ব্রণের উপরে মাখুন। টমেটো ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ কমাতে টমেটো বিশেষ সাহায্য করে। টমেটো কেটে তার টুকরা বা রস বানিয়ে মুখে মাখুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসুন রসুনের রস ব্রণের উপরে লাগান। চাইলে অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখতে পারেন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডিমের সাদা অংশ ডিমের সাদা অংশ ব্রণের উপরে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ভিনেগার ভিনেগারও ব্রণের সমস্যায় দারুণ কাজ করে। তুলোয় ভিনেগার লাগিয়ে ব্রণে লাগান। ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পুরো মুখে ভিনেগার লাগাবেন না। লেবুর রস রাতে শোওয়ার আগে তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে সারারাত মুখের ব্রণে লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণ সমস্যা অনেক কমেছে।
Garnier Acno Fight Face Wash for Men ----এটি ব্যবহার করেন, এটি শুধু ব্রণ ঠিক করার জন্য বানানো হয়েছে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy