3 Answers

সাইনোসাইটিসের চিকিৎসা শুরু করা ভালো। এতে তাড়াতাড়ি ভালো ফলাফল আশা করা যায়, ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় প্রথমে লক্ষণ অনুযায়ী এর্লাজির ওপর চিকিৎসা দিয়ে ৪/৬ মাসের চিকিৎসায় সাইনোসাইটিসের তীব্র কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

3015 views

এক্ষেত্রে আপনি হোমিওপেতিক ঔষধ খেতে পারে, তাহলে আপনার আর অপরেশন করতে হবে না। আর এই অবস্থায় সর্তকতা অবলম্বন করা উচিৎ, আর সেগুলো হচ্চে:- পলিপাস এর রোগীকে সব সময় এ্যালার্জি জাতীয় খাবার, ঠান্ডা ও ধুলা-বালি হতে দুরে থাকতে হবে। যথা সময় পলিপাসের চিকিৎসা না নিলে পরবর্তীতে সাইনাসে ইনফেকশন হয়ে সাইনোসাইটিস ও এ্যাজমা দেখা দিতে পারে।

3015 views

নাক, কান ও গলা এ তিনটি মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর যে কোনো একটি আক্রান্ত হলে সমস্ত শরীরটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাকের পলিপাস এক বা উভয় নাকের ভেতর হতে পারে। প্রথমে ইহা দেখতে মটরশুটির মতো হয়। আস্তে আস্তে বড় হয়ে নাসিকার ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। অনেক সময় ন্যাজাল পলিপাস থেকে রক্ত বাহির হতে দেখা যায়। নাকের পলিপাস দেখতে আঙ্গুরের মতো। নাসিকার্বুদ নাসা রন্দ্রের শৈষ্মিক ঝিল্লি হতে উদ্ভেদ হয়। এ রোগ লক্ষণে নাসারন্দ্রের অস্বাভাবিক পরিলক্ষিত হয়। নাসিকা প্রদাহ বৃদ্ধির কারণে হতে পারে। নাসিকার্বুদ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের অধিক হতে দেখা যায়। অনেক সময় বংশানুক্রমিকও হতে পারে। নাসাবুর্দ প্রায় সময় নরম, নীল বর্ণ, মসৃণ শ্বেতময় ও পুঁজময় ক্ষত হতে দেখা যায়। নাকের ছিদ্র বন্ধ হলে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে হয়। রক্তে সিরাম আইজিই এর পরিমাণ বেড়ে গেলে ঠা-া , সর্দ্দি, হাঁচি-কাশি ও নাক দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়তে পারে। নাকের ভেতরের শৈষ্মিক ঝিল্লিগুলোতে অ্যালারজিক প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং ঝিল্লি থেকে আস্তে আস্তে এক ধরনের পি-ের আবির্ভাব হয়। যা দেখতে আঙ্গুরের মতো এ ধরনের সমস্যাকে নাকের পলিপাস বলে। আবহাওয়ার পরিবর্তন হলেই সমস্যা বেশি দেখা দেয়, বার বার হাঁচি, নাক দিয়ে টপ টপ করে পানি ঝরে, নাক বন্ধ থাকে, নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অনেক সময় মাথায় ব্যথা হয়, নাক চুলকায়, নাকে ব্যথা ও স্মৃতি শক্তি কমে যায় এবং মুখ হ্যাঁ করে নিঃশ্বাস নিতে হয় ঘুমের কষ্ট হয়। পলিপাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর রোগ নির্ণয় করে উপযুক্ত লক্ষণ ও সমস্যা সংগ্রহ করে হোমিও চিকিৎসা দিলে কখনো কষণও অপারেশন ছাড়াই নাকের পলিপাসের যন্ত্রণা থেকে বিনা কষ্টে-অতি সহজে মুক্তি পাওয়া যাবে। সর্তকতা : পলিপাসের রোগীকে সব সময় অ্যালার্জি জাতীয় খাবার, ঠা-া ও ধুলা-বালু হতে দূরে থাকতে হবে। যথা সময় পলিপাসের চিকিৎসা না নিলে পরবর্তীতে সাইনাসে ইনফেকশন হয়ে সাইনোসাইটিস ও অ্যাজমা দেখা দিতে পারে।

3015 views

Related Questions