তাদের ফায়দা কি?
1 Answers
একমাত্র দাতব্য প্রতিষ্ঠান (Charity) ছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই ফ্রি সার্ভিসের পিছনে একটি ব্যাবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। আমরা যেগুলিকে ফ্রি দেখি, তারা সেখান থেকে ফায়দা উঠিয়ে নেয়। যেমন: গুগলের প্রায় সকল সার্ভিস আমরা ফ্রি ব্যাবহার করি। কিন্তু গুগল আজ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং ধনী কোম্পানী। মোবাইলের ক্ষেত্রে এপগুলির সাধারনত দুটি ভার্সন থাকে। একটি ফ্রি, অন্যটি প্রিমিয়াম। ফ্রি ভার্সনটিতে কেবল বেসিক কিছু সুবিধা দেওয়া থাকে। এই ভার্সনে এড শো করে। তারমানে আমরা যেটি ফ্রি ব্যাবহার করি, সেখান থেকে তারা এড-এর মাধ্যমে টাকা পায়। অন্যটিতো প্রিমিয়াম ভার্সন, যেটি টাকা দিয়েই কিনতে হয়। এই ভার্সনে একটি এপ-এর সকল সুবিধা দেওয়া থাকে। ফ্রি ভার্সনে আরেকটি সুবিধা থাকে, যেখানে গ্রাহক চাইলে কিছু কিছু বিশেষ সুবিধা কিনতে পারেন। যেমন: টেক্টস ম্যাসেজিং এর ষ্টিকার। Whatsapp বা IMO মূলত ফ্রি কল এবং টেক্টস সুবিধা দিয়ে থাকলেও এদের লোকাল কল অর্থাৎ লোকাল মোবাইল বা ল্যান্ডলাইনে কল করতে টাকা খরচ করতে হয়। এদের বিশেষ কিছু ষ্টিকার থাকে যা কিনতে হয়। বানিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যাবহারের জন্যও কিছু বিশেষ সুবিধা থাকে যেগুলি টাকা দিয়ে কিনে ব্যাবহার করতে হয়। এছাড়া এদের কাছে যেহেতু ব্যাবহারকারীর মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল ঠিকানা থাকে, সেক্ষেত্রে এরা বাল্ক এসএমএস বা ইমেইল মার্কেটিং -এ ও ব্যাবহার করতে পারে। Whatsapp এর প্রতিষ্ঠাতা ও CEO হলেন জ্যান কোওম (Jan Koum)। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। http://blogs-images.forbes.com/parmyolson/files/2014/03/forbes-cover-koum-e1393957274844.jpg IMO এর প্রতিষ্ঠাতা ও CEO হলেন র্যালফ হারিক (Ralph Harik)। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। https://e27.co/wp-content/uploads/2014/03/Ralph-Harik-profile.jpg