2 Answers

রাসূলুল্লাহর কিছু সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেনঃ "হে আল্লাহর রাসূল! বিত্তবান লোকেরা প্রতিফল ও সওয়াবের কাজে এগিয়ে গেছে। আমরা নামায পড়ি তারাও সেরকম নামায পড়ে, আমরা রোযা রাখি তারাও সেরকম রোযা রাখে, তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ সদকা করে। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ কি তোমাদের জন্য এমন জিনিস রাখেননি যে তোমরা সদকাহ্ দিতে পার। প্রত্যেক তাসবীহ্ (সোবহান আল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাকবীর (আল্লাহু আকবার) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক ভালো কাজের হুকুম দেয়া হচ্ছে সদকাহ্ এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত করা হচ্ছে সদকাহ্। যাকাত কাদের দিবেন কাদের দিবেন না তা উল্লেখ আছে,তবে সদকাহ বিভিন্ন হতে পারে, আল্লহর হক আদায়ও সদকা,আবার টাকা দান করাও সদকাহ,আবার নিজের শরীরের প্রতিটা অংশের যত্ন নেওয়া ও এক ধরনের সদকা, তবে টাকা সদকা দেওয়ার ক্ষেত্রে,ইয়াতীমখানা,বা মাদ্রাসা, গরীব,মিসকিন বিবেচনা করে সদকা দেওয়া উত্তম।

10886 views

দানন খয়রাত করাকে সাদকাহ বলে।সাদকা দুই প্রকার।১)সাধারণ সাদকা২)সাদকা জারিয়া।টাকা পয়সা,ভাল ব্যবহার করা সাধারণ সাদকা। সাদকা জারিয়া উন্নয়ন মুলক কাজ।রাস্তা নির্মাণ, স্কুল কলেজ,মাদ্রাসা নির্মান ইত্যাদি। আবু হুরায়াহ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল পাক (সাঃ) বলেন: “যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরন করে, তাঁর সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি ব্যতিতঃ ছাদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান অথবা সৎকর্মশীল পুত্র যে তার জন্য দুয়া করে”। (সহিহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-১৬৩১) ইমাম আন-নববী (রঃ)এই হাদিস খানার উপর মন্তব্য করতে যেয়ে বলেছেন: “ছাদকায়ে জারিয়া হল ওয়াকফ”। (শরহে মুসলিম -১১/৮৫)।

10886 views

Related Questions