4 Answers

আল্লাহর ইবাদত করা এবং তার সৃষ্টির প্রতিনিধিত্ব করা।

3472 views

মানুষকে দুনিয়ায় পাঠানোর আসল উদ্দেশ্য আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করা । আল্লাহ্‌ এর দেয়া বিধি নিষেধ মেনে তার নৈকট্য লাভ তথা আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য মানুষকে দুনিয়াতে প্রেরন করা হয় । 

দুনিয়া হচ্ছে আখিরাতের শষ্যক্ষেত্র বা পরীক্ষাক্ষেত্রও বলা হয়ে থাকে।

সূরা আ'লায় আল্লাহ বলছেন, "কিন্তু তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকো। অথচ আখেরাত উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।" - (আল আ’লাঃ ১৬-১৭) 

3472 views

মানুষকে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে দুনিয়াতে পাঠানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে তারা যেন তাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সর্বচ্চ স্বঠিক ব্যবহারের চেষ্টা করে, আমি থেকে বের হয়ে আমরা নিয়ে চিন্তা করে অার যিনি কেবল মাত্র তাকে এই মহামূল্যবান ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়েছেন তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকে।

3472 views

আল্লাহ তাআ’লা জিন এবং মানুষকে এক বিরাট উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। তা হল একমাত্র আল্লাহর এবাদত করা। আল্লাহ বলেন, ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠَﻘْﺖُ ﺍﻟْﺠِﻦَّ ﻭَﺍﻟْﺈِﻧﺲَ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻴَﻌْﺒُﺪُﻭﻥِ অর্থঃ “আমি জ্বীন এবং মানুষকে আমার এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।” (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬) আল্লাহ আরো বলেন, ﺃَﻓَﺤَﺴِﺒْﺘُﻢْ ﺃَﻧَّﻤَﺎ ﺧَﻠَﻘْﻨَﺎﻛُﻢْ ﻋَﺒَﺜًﺎ ﻭَﺃَﻧَّﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻴْﻨَﺎ ﻟَﺎ ﺗُﺮْﺟَﻌُﻮﻥَ অর্থঃ “তোমরা কি ধারণা করেছ যে, আমি তোমাদেরকে এমনিই সৃষ্টি করেছি? আর তোমরা আমার দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে না?” (সূরা মুমিনূনঃ ১১৫) আল্লাহ আরো বলেন, ﺃَﻳَﺤْﺴَﺐُ ﺍﻟْﺈِﻧﺴَﺎﻥُ ﺃَﻥْ ﻳُﺘْﺮَﻙَ ﺳُﺪًﻯ অর্থঃ “মানুষ কি ধারণা করে যে, তাদেরকে এমনিতেই ছেড়ে দেয়া হবে?” (সূরা কিয়ামাহঃ ৩৬) এছাড়া আরো অনেক আয়াত প্রমাণ করে যে, জিন-ইনসানের সৃষ্টিতে আল্লাহ তাআ’লার এক মহান উদ্দেশ্য রয়েছে। তা হল আল্লাহর এবাদত করা। ভালবাসা ও সম্মানের সাথে আল্লাহর আদেশ সমূহ বাস্তবায়ন করা এবং নিষেধ সমূহ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর জন্য নিবেদিত হওয়ার নাম এবাদত। আল্লাহ তাআ’লা বলেন, ﻭَﻣَﺎ ﺃُﻣِﺮُﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻴَﻌْﺒُﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺨْﻠِﺼِﻴﻦَ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺪِّﻳﻦَ ﺣُﻨَﻔَﺎﺀَ অর্থঃ “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে আল্লাহর এবাদত করবে।” (সূরা বাইয়িনাহঃ ৫) এই হল মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর এবাদত করতে অহংকার করবে, সে ব্যক্তি এই হিকমত প্রত্যাখ্যানকারী হিসাবে গণ্য হবে। যার জন্য আল্লাহ তাআ’লা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা না করলে কি হবে তাদের কর্মসমূহ প্রমাণ বহন করে যে, আল্লাহ যেন তাদেরকে অযথা সৃষ্টি করেছেন। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তা করেননি। তাই আমাদের সকলের উচিত আল্লাহর সমস্ত আদেশ নিষেধ মেনে চলা।তাহলে, তিনি পরকালে আমাদেরকে পুরস্কৃত করবেন।আর তা না হলে, পরকালে অসীম দুঃখ কষ্টে পতিত হতে হবে।

3472 views

Related Questions