7 Answers
রাগ মানুষের অনেক ক্ষতি করে। এই রাগ আপনি নিশ্চয়ই কমাতে চান? যদি সত্যিই চান রাগ সংবরণ করতে, তাহলে মেনে চলুন ৫টি পরামর্শ। দেখবেন, আপনি ঠিকই রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা শিখে গেছেন। ১. যখন আপনি সামনের কারও ওপর রেগে গিয়েছেন, তখন তার সামনে থেকে জায়গা বদল করাটা হবে সেরা সমাধান। একান্তই সেটা করা না গেলে, আপনি অবশ্যই মুখ নাড়া বন্ধ করবেন। তিনি আপনাকে যতই উত্ত্যক্ত করুন, আপনি কিছুতেই মুখ খুলবেন না। কারণ, রেগে আপনি যা বলবেন, তা মোটেই আপনার মনের কথা নয়। তাই কথা বলা বন্ধ করুন সবার আগে। ২. রেগে গেলে যেটা অবশ্যই করার চেষ্টা করবেন, সেটা হলো মুখে আঙুল দিন। আর কানে তুলো দিন। কোনও কথা শুনবেন না। কিছুতেই কোনও কথা বলবেন না। আপনার অস্তিত্ব রয়েছে- কয়েক মিনিটের জন্য এটাই ভুলে যান। ৩. ঝগড়ায় বা তর্কে জড়িয়ে আপনি খুব রেগে গিয়েছেন। এই রাগ কমানোর একমাত্র উপায়, দ্রুত ওই জায়গা ছেড়ে চলে যান। কিছুতেই সেখানে থেকে নিজের ও তার রাগ বাড়িয়ে দেবেন না। ৪. যোগব্যায়াম করুন। ধ্যান করুন। এটা প্রমাণিত যে, ধ্যান নিয়মিত করলে, মানুষের রাগ কমে। আর ধৈর্য বৃদ্ধি পায়। তাহলে রোজ নিয়ম করে ধ্যান করুন খানিকটা সময়। আপনার রাগ কমবেই। ৫. খুব রেগে গিয়েছেন যখন, খুব পছন্দের একটা গান মনে মনে গুনগুন করার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে কানে হাত দিয়ে, আশেপাশের আওয়াজ শোনা বন্ধ করে দিন। সেক্ষেত্রে আপনার প্রিয় গানে মনোনিবেশ করতে সুবিধা হবে। সূত্র: জি-নিউজ
যখন আপনার পচন্ড রাগ হয় তখন শুয়ে থাকবেন । দেখবেন, রাগ চলে গেছে। আর যার উপর রাগ উঠবে,তার সামনে থেকে চলে যাবেন ।
১) সাথে সাথে গান শোনা শুরু করুন গান সোনার বিষয়টি রাগ কমিয়ে আনার সবচাইতে ভালো একটি উপায়। মিউজিক এমন একটি জিনিস যা আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করার ক্ষমতা রাখে এবং সেই সাথে মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়ার কাজটি করে। যার ফলে রাগটি আপনাআপনিই কমে যেতে শুরু করে। পারলে গানের তালে একটু হাত পাও ছুঁড়ে নিতে পারেন। এতে আরও দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন। ২) অন্ধকার কোনো ঘরে চলে যান ব্যাপারটি অনেক হাস্যকর মনে হলেও এটি বেশ ভালো একটি উপায় রাগ কমানোর। গবেষণায় দেখা যায় যখন কারো রাগ উঠতে থাকে তখন আশেপাশের সবকিছুর উপরে রাগ উঠে এবং ছুঁড়ে ও ভেঙে ফেলার প্রবণতা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে নিজেকে সরিয়ে আনার এটিই সবচাইতে ভালো একটি পদ্ধতি। অন্ধকার ঘরে বসে নিজের রাগ নিয়ে একটি চিন্তা করার সময়ও পাওয়া যায়। ৩) নিজের অনুভূতি লিখুন মানুষ যা মুখে বলে প্রকাশ করতে পারেন না বা মুখে বলে প্রকাশ করা উচিত নয় তা ভেতরে জমে থাকলে তা আরও বেশি ক্ষতিকর। তাই নিজের রাগের অনুভূতি প্রকাশ করে ফেলুন খাতায় লিখে। নিজের জন্য একটি ডায়েরির ব্যবস্থা করুন। এবং রাগ উঠলেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে দিন লিখে। এতে রাগ দ্রুত কমে। ৪) রাগ কমানোর ব্যায়াম রাগ কমানোর দারুণ একটি শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম রয়েছে। যখনই রাগ উঠবে এই ব্যায়ামটি করুন। খুব গভীরভাবে শ্বাস নিন। ধরে রাখুন ৫-৭ সেকেন্ড তারপর শ্বাস ছাড়ুন এবং আবার শ্বাস নিয়ে ধরে রাখুন। এভাবে ব্যায়ামটি করতে থাকুন যতক্ষণ না আপনি নিজে শান্ত হচ্ছেন। এটি বেশ ভালো একটি ব্যায়াম রাগ কমিয়ে আনার। সূত্রঃ topyaps ও wikihow
যখন আপনি সামনের কারও ওপর রেগে গিয়েছেন, তখন তার সামনে থেকে জায়গা বদল করাটা হবে সেরা সমাধান। একান্তই সেটা করা না গেলে, আপনি অবশ্যই মুখ নাড়া বন্ধ করবেন। তিনি আপনাকে যতই উত্ত্যক্ত করুন, আপনি কিছুতেই মুখ খুলবেন না। কারণ, রেগে আপনি যা বলবেন, তা মোটেই আপনার মনের কথা নয়। তাই কথা বলা বন্ধ করুন সবার আগে। ২. রেগে গেলে যেটা অবশ্যই করার চেষ্টা করবেন, সেটা হলো মুখে আঙুল দিন। আর কানে তুলো দিন। কোনও কথা শুনবেন না। কিছুতেই কোনও কথা বলবেন না। আপনার অস্তিত্ব রয়েছে- কয়েক মিনিটের জন্য এটাই ভুলে যান। ৩. ঝগড়ায় বা তর্কে জড়িয়ে আপনি খুব রেগে গিয়েছেন। এই রাগ কমানোর একমাত্র উপায়, দ্রুত ওই জায়গা ছেড়ে চলে যান। কিছুতেই সেখানে থেকে নিজের ও তার রাগ বাড়িয়ে দেবেন না। ৪. যোগব্যায়াম করুন। ধ্যান করুন। এটা প্রমাণিত যে, ধ্যান নিয়মিত করলে, মানুষের রাগ কমে। আর ধৈর্য বৃদ্ধি পায়। তাহলে রোজ নিয়ম করে ধ্যান করুন খানিকটা সময়। আপনার রাগ কমবেই। ৫. খুব রেগে গিয়েছেন যখন, খুব পছন্দের একটা গান মনে মনে গুনগুন করার চেষ্টা করুন।
যখন মাথায় রাগ চলে আসে । তবে তখন আপনি নিজে নিজেই আপনি একবার ভাবুনতো আমি এখন রাগ করলে কী হবে । আমার বা আমাদের ক্ষতি হতে পারে । তাই জায় করুন না তবে সব কাজ ঠান্ডা মাথায় করা ভালো আপনি আরেকটি কথা মনে রাখবেন ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না ।
মহানবী (সঃ) বলেছেনঃ যখন আপনার প্রচন্ড রাগ হবে তখন আপনি দাঁড়ানো অবস্থায় থাকলে বসে পড়ূন আর বসা থাকলে শুয়ে পড়ুন।
আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া অনেক ধরণের ঘটনার কারণে আমরা অনেক সময় বেশ উত্তেজিত হয়ে যাই। আমাদের সবসময় মনে রাখা উচিৎ রাগান্বিত অবস্থায় কোন সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ নয়। আর অতিরিক্ত রাগ হবার পর অনেক সময় আমরা কি থেকে কি করে ফেলি তার কোন ঠিক থাকে না। তাই নিজেকে শান্ত করার জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করুন। নিম্নে শান্ত হবার ৩টি পদ্ধতি আলোচনা করা হল- ১. নিজের যত্ন নিন: আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের জাঙ্ক খাবার খেয়ে থাকি। এতে আমাদের শরীরের উপর অনেক খারাপ প্রভাব পড়ে। যারা নিজেদের খুব ভালভাবে যত্ন নেয়, বিশেষ করে যারা সবকিছু যত্ন সহকারে করতে পছন্দ করে তাদের রাগের পরিমাণ কম থাকে। হঠাৎ কোন কিছু খুঁজে না পেলে রাগের সৃষ্টি হতে পারে। সবকিছু জায়গামত সাজিয়ে রাখলে রাগের পরিমাণ কম হবে। ২. রুটিন করুন: অনেকেই রুটিন করা পছন্দ করে না। রুটিন মত চলার অভ্যাস অনেকের একদম নেই বললেই চলে। তবে রুটিন মাফিক চলার অভ্যাস করলে আপনার জন্য সুবিধা হবে। এতে আপনার সারাদিন ভাল যাবে। সকালের শুরু যদি ঠিকমত করতে পারেন তাহলে আপনার সারাদিনের সকল কাজ করতে মন থেকে ভাল লাগবে। ৩. নিজেকে শক্ত করে গড়ে তুলুন: সবসময় নিজের ধারণা ইতিবাচক রাখুন। তবে কোন বিষয় নিয়ে এতো চিন্তা করবেন না যে, সেই বিষয়ের প্রতি দুর্বল হয়ে যান। এতে আপনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবেন। রাগ কখনও কোন ভাল বয়ে আনে না। রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে পারলে আপনার জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।–সূত্র: ট্রুথ থিওরি।