কেউ কি রুট সম্পর্কে একটু বলবেন???? যে এর উপকারিতা কি বা কেন করে??? আর কি ভাবে রুট করবো???
3801 views

3 Answers

রুট করার উপকারিতা:

১। আপনি হবেন আপনার মোবাইলের সত্যিকারের পরিচালক,
২। অফলাইন গেইমস সমূহ হ্যাক করতে পারবেন,
৩। বিশেষ সুবিধার বেশকিছু অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।
৪। সিস্টেম অ্যাপ আনইন্সটল বা আপডেট করতে পারবেন।
৫। বুট লোগো পাল্টাতে পারবেন।
৬। ইচ্ছামত সিস্টেম মিউজিক যোগ করতে পারবেন।
৭। ফোনে কানেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন।
৮। মোবাইল কাস্টমাইজ অর্থাৎ নিজের মত করে সাজাতে পারবেন।
৯। Xposed Module ব্যাবহার করে মোবাইলের ফিচার বদলাতে পারবেন।
-এগুলোর সবগুলো আমি ট্রাই করে দেখেছি, আরও অনেক আছে.... গুগল সার্চেই পাবেন।

ফোন রুট করা হয় রুটিং অ্যাপ বা পিসির সাহায্যে, এটি সেটের মডেলের উপর নির্ভরশীল।
3801 views

রুট করার উপকারিতাঃ পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়। আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব। কাস্টম ইউআই : আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়। কাস্টম রম : ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন। রুট করার অসুবিধা------ ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই। ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক- সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন। আপনি kingroot দিয়ে হয়তোবা আপনার মোবাইল রুট করতে পারবেন ।

3801 views

সাধারনত রুট না করা থাকলে আপনি মোবাইল কম্পানির দ্বারা পরিচালিত হন বলতে গেলেই হয় ৷ পরিপূর্ন বা স্বাধীনভাবে আপনি ব্যবহার করতে চাইলে রুট করতে হবে ৷ রুট করলে আপনি আপনার ফোনের স্টক রম চেঞ্জ করে কাস্টম রম দিতে পারবেন এন্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করতে পারবেন ৷ কিছু কিছু এপ্স আছে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে রুট লাগবে৷ গেমের কয়েন বা মিশন আনলক বা হ্যাক করতে পারবেন ৷ ফোনের সাউন্ড কম মনে হলে বাড়াতে পারবেন বিঃদ্রঃ রুট করলে সেটের ওয়েরেন্টি বাতিল হয়ে যাবে ৷

3801 views

Related Questions