ইরানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমার নাম কি?

Md Ariful Islam
বিএসসি(সিএসই), এমবিএ(মার্কেটিং)
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার Bissoy.com
2949 views

1 Answers

ইরানের সিনেমা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি গভীর পর্যালোচনা শেষে এ ছবি অস্কারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অস্কারের বিদেশী ভাষা প্রতিযোগীতা বিভাগে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করবে এ মহান চলচ্চিত্র।

ইরানের খ্যাতনামা পরিচালক মাজিদ মাজিদির সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র মুহাম্মদ (সা:) কে ইরানের পক্ষ থেকে ৮৮তম অস্কারের জন্য মনোনয়ন করা হয়েছে। মহাকাব্যধর্মী এ ছায়াছবিতে বিশ্বনবী (সা:) শৈশবের জীবন আলেখ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট ইরানের রাজধানী তেহরানসহ ১১ শহরের ১৪৩টি প্রেক্ষাগৃহে এই ছায়াছবির প্রথম পর্বের প্রদর্শন শুরু হয়। একই সময়ে কানাডার মন্ট্রিল চলচ্চিত্র উৎসবের আওতায় সেখানকার দুটি সিনেমা হলে দেখানো হয়েছে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই ছায়াছবি। ইরানে প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি থেকে প্রথম রাতেই উঠে এসেছে ২০০ কোটি রিয়াল।

মহানবী (সা:) কে নিয়ে নির্মিত ট্রিলজি বা তিন খন্ডের ছায়াছবির প্রথম খণ্ডে তাঁর মক্কার জীবনী তুলে ধরা হয়েছে। ২ ঘন্টা ১১ মিনিটের এ ছায়াছবি নির্মাণে সাত বছর সময় লেগেছে। ইরানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ ছবি নির্মাণে তিন কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। মোহাম্মদ মাহদি হায়দারিয়ান প্রযোজিত এ ছবির চিত্র ধারণ করা হয়েছে ইরান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার শহর বেলা-বেলাতে।

এ ছবিটি নির্মাণে চলচ্চিত্র জগতের আন্তর্জাতিক পরিমলে খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। এতে কাজ করেছেন, ইতালির তিনবারের অস্কারজয়ী সিনেমাটোগ্রাফার ভিত্তোরিও স্তোরারো, ইতালির ফিল্ম এডিটর রোবাতো পেরপিগানি, মার্কিন স্পেশাল এফেক্ট শিল্পী স্কট ই অ্যান্ডারসন, ইতালির মেকআপ আর্টিস্ট গিয়ানেত্তো ডি রোসি এবং ভারতীয় প্রখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

2949 views Answered

Related Questions

Next steps