2910 views

1 Answers

মেছতা মূলত বংশগত সমস্যা। এছাড়াও ত্বকে মেলানিন জমে মেছতায় পরিণত হতে পারে। শুরুতে এটি বিক্ষিপ্ত তিলের মতো থাকে। ফলে অনেকেই এগুলোকে তিল ভেবে ভুল করেন। সাধারণত গাল ও নাকে মেছতা বেশি দেখা যায়। এছাড়া পেট, কাঁধ, বাহুসহ শরীরের যে কোনো খোলা অংশেও এটি হতে পারে। ব্যক্তিভেদে এর রং হয় বিচিত্র। কারো কারো লালচে, হলুদ, তামাটে, হালকা বাদামি বা কালো রঙের মেছতাও দেখা দিতে পারে। গ্রীষ্মে দাগগুলো আরো গাঢ় হয়ে ওঠে। শীতে দাগ হালকা হতে শুরু করে।
বয়ঃসন্ধিকালে মেছতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। দুবছরের পর থেকে কোনো কোনো শিশুর মুখে মেছতা দেখা দিতে পারে। মধ্যবয়সীদের মুখেও এর প্রকোপ চোখে পড়ে।

মেছতা দুধরনের হয়, সাধারণ মেছতা এবং রোদেপোড়া মেছতা। সাধারণ মেছতার রং লালচে তামাটে কিংবা বাদামি। ফর্সা ত্বকে এগুলো বেশি হতে দেখা যায়। যাদের চুল লালচে আর চোখের রং হালকা তাদের ত্বকে এই মেছতা বেশি হয়ে থাকে। তবে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে দাগ ছড়ানোর আগেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব। রোদেপোড়া মেছতার রং কিছুটা গাঢ়। এগুলো শীতকালেও হালকা হয় না।

2910 views