1 Answers
পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতি ১। অপারেশনঃ এটা হচ্ছে সবচেয়ে সহজ চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে পুরো টিউমার কে নিধন করা সম্ভব, এবং রোগীর অবস্থার উপর ভিত্তি করে অনেক সময় চোকের পুরো মণি ফেলে দিতে হয়। ২। ক্রায়োথেরাপিঃ এটাকে ক্রায়ো অপারেশনও বলা হয়। একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ অপসারণ প্রযুক্তি। টিউমার কে ঠাণ্ডা করে ক্রমাগত হিটের মাধ্যমে টিউমারের কোষ কে ধংস করে, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। ৩। রেডিওথেরাপিঃএই পদ্ধতিতে আলোকিত ক্যান্সার টিস্যুকে এক্স রে,ওআই রে, ইলেকট্রন বিম এসবের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। ৪। ক্যামোথেরাপিঃ এর মাধ্যমে ক্যান্সার কোষকে বধ এবং তাদের বৃদ্ধি এবং বিস্তার বন্ধ করা যায় , কিন্তু কেমোথেরাপি এছাড়াও স্বাভাবিক কোষ এবং ইমিউনোলজিকাল কোষকেও বধ করে । এর ফলে বমি বমি ভাব এবং বমি সৃষ্ট এসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বর্তমানে স্থানিয় ক্লিনিকে রোগীর অবস্থা অনুসারে ক্যামোথেরাপি দেয়া হয়। আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল গুয়াংজৌ থেকে ক্লিনিকাল প্রমাণ অনুযায়ী,এই চিকিত্সায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না এছাড়াও ব্যাপকভাবে রোগীর অসস্থিকর ভাব প্রশমিত হয়। জৈব ইমুনোথেরাপিঃ জৈব ইমুনোথেরাপি হচ্ছে ইমিউনিটি টাইপ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নতুন চিকিত্সা পদ্ধতি। জৈব ইমুনোথেরাপি পদ্ধতিতে রোগীর আক্রমনিত কোষগুলি পুনর্গঠন করে এবং রোগীর শরীরের মধ্যে সঞ্চারিত করে। এতে ক্যান্সার এর বিস্তার বন্ধ হয় এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করা হয়।সকল ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করাই জৈব ইমুনোথেরাপির উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু অপারেশন , ক্যামোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এর সাথে সমন্বয় করে কান্সারের রিওকারেন্স ও মেটাশটেমেট প্রতিরোধ করে রোগীর জীবনকে কিছুদিন দীর্ঘায়িত করে মাত্র। সর্বাপেক্ষা কাম্য চিকিত্সাঃ রোগীর অবস্থা অনুসারে চোখের কান্সারের চিকিৎসা পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। বর্তমানে এর চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে অপারেশন, রেডিওথেরাপি, ক্যামোথেরাপি। এর সাথে চাইনীজ ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন এবং পশ্চিমা মেডিসিন সমন্বয় করে চিকিৎসা হচ্ছে চোখের কান্সারের উপযোগী চিকিৎসা। চাইনীজ ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে ও রক্ত নিয়ন্ত্রণ করে, জৈব ইমুনোথেরাপি এর ফলাফল কে আরো বেশি কার্যকর করে। চাইনীজ ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন পশ্চিমা মেডিসিন এর সাথে সংযুক্ত হয়ে অপারেশন এর পর অথবা ক্যামোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি এর ফলে যে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় তা থেকে মুক্ত করে এবং রোগীর অবস্থার উন্নতি করে জীবনের মান উন্নত করে এবং রোগীর জীবনের আয়ু বাড়ায়। চাইনীজ ট্র্যাডিশনাল একক চিকিৎসা পদ্ধতির ফলে থেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না এবং ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ প্রচলিত কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপির ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত কোষ ও স্বাভাবিক কোষ ধ্বংস হয় এবং রক্তের শ্বেতকণিকা কমে যায়। এর ফলে ইমুনিটি কমে যায়। বর্তমানে মডার্ন ক্যান্সার হাসপাতাল গুয়াংজৌ রোগীর অবস্থার উপর ভিত্তি করে রোগীর জন্য প্রযোজ্য চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে যেমন-ইন্টারন্যাশনাল থেরাপি, পার্টিকেল ইমপ্লেনটেশন এবং আর হে ক্রায়োথেরাপি যা কার্যকর ভাবে উল্লেখিত, মানসিক আঘাত এড়িয়ে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমান যায় । রোগ প্রতিরোধ করা এবং চক্ষু ক্যান্সার জন্য সেবাঃ দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এখনও শিশুদের চোখের ক্যান্সার প্রতিষেধক কোন ব্যবস্থা পাওয়া যায় নি। সেজন্য গর্ভাবস্তায় গর্ভবতী মাকে স্বাস্থ্য সতর্ক থাকতে হবে, এক্স রে এবং বিকিরণ যোগাযোগ এড়িয়ে চলতে হবে, শিশুর জন্য ঝুঁকি এমন সবকিছু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য চোখের প্রতি আরো মনোযোগী এবং হাসপাতালে নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষার জন্য যাওয়া উচিত।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy