1 Answers
বিষণ্নতা আমাদের অনেকের জন্যই একটি নিত্য দিনের সমস্যা। কেউ কেউ আমরা হঠাৎ করে কিছু সময়ের জন্য মনমরা ও দুর্বিষহ কষ্টে ভরাক্রান্ত হয়ে যাই। কারো কারো জন্য এটা ক্ষণস্থায়ী হলেও, কিছু মানুষ এই অনুভূতিগুলি দীর্ঘ সময় ধরে তীব্রভাবে অনুভব করে থাকে – হতে পারে সপ্তাহ, মাস কিংবা বছরের জন্য এবং কখনও কখনও আপাত কোন কারণ ছাড়াই । বিষণ্নতার ফলে মানুষ এক ধরনের হীনমন্যতায় ভোগে। আর এই হীনমন্যতা আপনার শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। বিষণ্নতা একটি মানুষিক সমস্যা যা একজন ব্যক্তির কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। বিষণ্নতায় যদি আপনার মন প্রায়ই অপ্রসন্ন থাকে তবে তা একটি গুরুতর সমস্যা। এই সমস্যাকে আপনি আপনার জীবন থেকে বাদ দিতে পারবেন না তবে চিকিৎসার মাধ্যমে আপনি আপনার বিষণ্নতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন ও ভাল অনুভূতি লাভ করতে পারেন। বিষণ্নতার সাধারণ কিছু কারণ হতে পারে যেমন – ব্যক্তিত্ব, নেতিবাচক চিন্তা করা, পারিবারিক জটিলতা, কর্মক্ষেত্রের জটিলতা, প্রিয় কোন মানুষ বা বন্ধুর মৃত্যু, আর্থিক অভাব-অনটন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন এবং সেইসাথে জীবনের কঠিন ও তিক্ত অভিজ্ঞতা।
বিষণ্নতারউপসর্গঃ বিষণ্নতাকে মানুষ বিভিন্নভাবে অনুভব করে। বিষণ্নতার সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে-
মেজাজ*.মনমরা বা খিটখিটে হয়* নিরুৎসাহিত হওয়া বা অসহায় বোধ করা*.নিজেকে সবকিছুর জন্য নিজেকে দোষারোপ করা ও দোষী মনে করা*.নিজের কাজেকে উপভোগ করতে অক্ষম*.সব বিষয়কেই নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে মনে হওয়া*.সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা অনুভব করা*.আত্মহত্যা বা নিজের-ক্ষতির চিন্তা করারব্যবহার*.প্রেরণাশক্তি এবং বাহ্যিক শক্তির অভাব বোধ করা*.পছন্দের কাজগুলোর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা*.বন্ধু এবং পরিবারের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া*.অন্যের উপর অধিক নির্ভরশীল হওয়া*.নেশাজাতীয় দ্রব্যের সেবন বৃদ্ধি করা*.স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মেজাজী হওয়াশারীরিকঅবস্থা*.ক্ষুধা কমে যাওয়া বা বেশি খাওয়া*.ঘুমের সমস্যা – ঘুম পেতে অসুবিধা, মধ্যরাতে জেগে ওঠা বা দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘুমানো*.মাথাব্যথা ও পেট ব্যাথা করা*.শারীরিকভাবে দুর্বল অনুভব করা*.যৌন আগ্রহের অভাব।