3 Answers
Flight Mode অন করলে সিম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, কল, মেসেজ আসেনা। বিশেষ বিশেষ কারণে, এটি লোকে অন করে, যাতে কেউ কল, মেসেজ না করতে পারে। এটাই সুবিধা।
আপনাকে কল করে কেউ যাতে ডিস্টার্ব করতে না পারে,সেজন্য এই অপশনটি দেয়া হয়।তবে অধিকাংশ ফোনে এটি এরোপ্লেন মোড নামে দেওয়া থাকে।ফ্লাইট মোড চালু রাখলে আপনার সিমটি ডিজাবেইল হয়ে যাবে,যার কারনে কেউ আপনাকে ফোন করে বিরক্ত করতে পারবে না।আর আপনি সিমটি দিয়ে কাউকে কল করতে,নেট ব্যবহার করতে পারবেন না,এই অপশনটি চালু রাখা অবস্থায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
এন্ড্রয়েড সহ সকল ফোনেই ফ্লাইট মোড থাকে। ফ্লাইট মোড হচ্ছে ফোনকে সকল প্রকার নেটওয়ার্ক সংযোগ বা নেটওয়ার্ক তৈরি থেকে বিরত রাখা। ফলে এটি অন করলে সিমের নেটওয়ার্ক, এফএম রেডিও, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই সব কিছু ডিজেবল হয়ে যাবে। এটি ফ্লাইট মোডের কাজ। আগে বিমান বা বড় কোন নেটওয়ার্ক সেন্সিটিভ স্থানে মোবাইল নিষিদ্ধ করা হত কারন বিমানে ফোনের নেটওয়ার্ক ও রেডিয়েশন, বিদ্যুৎ চুম্বকীয় আবেশ ইত্যাদি বিমানের ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশে সমস্যা করত। এমনকি সন্ত্রাসী রা এভাবে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারত। কিন্তু ফোন নিত্য ব্যবহার্য্য হওয়ায় পরিবহন নিষেধ করা সম্ভব হচ্ছিলনা। তাই ফ্লাইট মোড ব্যবস্থা প্রচলন করা হয়। যদিও বর্তমানে অনেক আধুনিক বিমানে এখন আর নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যা হয়না। অনেক বিমান সেক্টর এখন মোবাইল চালু রাখার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন। তথাপি হসপিটালের বিভিন্ন টেস্টিং যন্ত্র পাতি সহ। সেন্সিটিভ জায়গায় প্রয়োজনীয়তা মনে করে ফ্লাইট মোড ফাংশনটি রাখা হয়।