3 Answers
১.সদা সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে ২.অন্যায় না করে অন্যায়ের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে ৩.নিজের চরিত্র কে সংযত রাখতে হবে ৪.সৃষ্টি কর্তাকে ভয় করা উচিত ৫.দেশ কে ভালোবাসা উচিত ৬.কোনো একজন মহৎ ব্যাক্তির আদর্শ মেনে চলতে উৎসাহ প্রদান ৭.অন্যকে সাহায্য করার উৎসাহ করা ৮.লোভ না করা ৯.অন্যায় সহ্য না করা ১০.কোনো বিপদে ভেঙে না পরা ১১.নিজের রাগ,ক্ষোপ কে নিজের কন্ট্রোলে রাখা ১২.সবার সাথে ভালো ব্যাবহার করা ১৩.সব পরিস্থিতিতে নিজেকে সংযত রাখা ১৪.চুরি না করা ১৫.লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়া ইত্যাদি উপদেশ দিতে পারেন যা তার জীবন পাল্টে দিবে।
ছেলেকে বাবার দেওয়া উপদেশ বিচারে কোরআন থেকেই সর্বোত্তম জবাব পাওয়া যায়। আল্লাহ বলেন, সূরা লোক্মান (لقمان), আয়াত: ১৩ অর্থঃ যখন লোকমান উপদেশচ্ছলে তার পুত্রকে বললঃ হে বৎস, আল্লাহর সাথে শরীক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সাথে শরীক করা মহা অন্যায়। সূরা লোক্মান (لقمان), আয়াত: ১৬ অর্থঃ হে বৎস, কোন বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় অতঃপর তা যদি থাকে প্রস্তর গর্ভে অথবা আকাশে অথবা ভূ-গর্ভে, তবে আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ গোপন ভেদ জানেন, সবকিছুর খবর রাখেন। সূরা লোক্মান (لقمان), আয়াত: ১৭ অর্থঃ হে বৎস, নামায কায়েম কর, সৎকাজে আদেশ দাও, মন্দকাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ। সূরা লোক্মান (لقمان), আয়াত: ১৮ অর্থঃ অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। সূরা লোক্মান (لقمان), আয়াত: ১৯ অর্থঃ পদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং কন্ঠস্বর নীচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।
১) কখনও কাউকে ছোট করে দেখবা না, নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
২) জুতো সেলাই করলে পা বাড়িয়ে দিয়ো না এবং জুতো কিনতে গেলে নিজেই ট্রাইল দিয়ো।
৩) কখনো কাজের লোককে কামলা, বুয়া বলে ডেকো না। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই/ বোন/ মা/ বাবা। তাদের ভাই/আপা বলে ডেকো।
৪) পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো কিন্তু কারও ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫) কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেয়ো না, সে লজ্জা পেতে পারে।।
৬) সবসময় দেয়ার চেষ্টা করবা। মনে রাখবা প্রদানকারীর হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭) এমন কিছু করো না যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮) ছেলে হয়ে জন্মাইছো, দায়িত্ব এড়িয়ে যেয়ো না।
৯) তোমার কি আছে তা তোমার গায়ে লিখা নেই, কিন্তু তোমার ব্যবহারে আছে।
১০) কখনও মা'কে শুনে বউকে এবং বউকে শুনে মা'কে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাইয়ো না। কাউকেই ফেলতে পারবে না।।