2 Answers

হ্যা, তাকে অবশ্যই জানাযা করে দাফন-কাফন করতে হবে। সন্দেহ নেই, আত্মহত্যা শিরকের কাছাকাছি কবিরা গোনাহ। কিন্তু এটি শিরক নয়। আত্মহত্যাকারী এই কাজের মাধ্যমে বড় পাপ করেছে বটে কিন্তু সে মুশরিক বা কাফের হয়ে যায় নি।   কোরআন-হাদিসের শক্তিশালী দলিলের ভিত্তিতে আহলুসসুন্নাহ ওয়ালজামাতের কোন আলেম এটাকে শিরক কিংবা কুফরি বলেন নি। ”আল-মাউসুআ’তুল ফিকহিয়া”তে (৬/২৯১) এসেছে,   لم يقل بكفر المنتحر أحد من علماء المذاهب الأربعةঅর্থাৎ চার মাজহাবের কোন ইমাম আত্মহত্যাকারীকে কাফির বলেন নি। আর আমরা জানি, কোন ঈমানদার ব্যক্তি যত বড় গোনাহই করুক না কেন; কিছুতেই চিরকালের জন্য জাহান্নামে যাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, عن أنس عن النبي صلى الله عليه و سلم قال يخرج من النار من قال لا إله إلا الله وفي قلبه وزن شعيرة من خير ويخرج من النار من قال لا إله إلا الله وفي قلبه وزن برة من خير ويخرج من النار من قال لا إله إلا الله وفي قلبه وزن ذرة من خير যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে আর তার অন্তরে একটি যব পরিমাণও নেকী থাকবে, তাকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে আর তার অন্তরে একটি অণু পরিমাণও নেকী থাকবে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৫)

2845 views

وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰ أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلَا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِهِ ۖ إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَاسِقُونَ

আর তাদের মধ্য থেকে কারো মৃত্যু হলে তার উপর কখনও নামায পড়বেন না এবং তার কবরে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহর প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা না ফরমান অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। সূরা তওবা আয়াত ৮৪ 

এই আয়াতটা আল্লাহ নাযিল করেছিল এই জন্য যে নবী অনুসরণ না করে সে এমন হয়ে মারা যায়। নবী নিজেও  আত্মহনন কারীর সালাত আদায় করে নি। তবে অন্যকে পড়তে বারও নি হাদিস মতে। কিন্তু নিজে পড়ে নি।





2845 views

Related Questions