3 Answers
ভাই আমি মনে করি ছোট শিশুর ডাক্তারি চিকিৎসা নেওয়া অনেক উত্তম, আপনি একজন ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন,, বর্তমানে কবিরাজি চিকিৎসা থেকে ছোট বাচ্চাদের চিকিৎসা ডাক্তারি করা অনেক ভালো,,
চিকিৎসা
- বিশ্রাম করতে হবে৷
- প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর খাওয়ার স্যালাইন (সমপরিমাণ) খেতে হবে৷
- প্রচুর পরিমাণ তরল খাবার (যেমন – ফুটানো ঠাণ্ডা পানি, শরবত, ডাবের পানি, ভাতের মাড় ইত্যাদি) খেতে হবে।
- অতিরিক্ত পাতলা পায়খানা হলে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ঔষধ খেতে হবে৷
- শিশুদের ওজন অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে৷
- বার বার ও আর এস (ORS)এর জল করে খেতে হবে।
- ORS এর প্রবলেম থাকলে নুন চিনি জল করে খেলেও ভালো।
- একদমই বেশি তেল মশলা জাতীয় খাবার যেন না খাওয়া হয়।
- এই সময় কাচ কলা সেদ্ধ পেঁপে সেদ্ধ।
- অনেক সময় দুধ খেলে বাড়ে, সেটি কমিয়ে দিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় শাকসবজি, সালাদ এগুলো খেলে সমস্যা হয়। এগুলো খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি হলেও এ সমস্যা হতে পারে। এগুলো কমাতে হবে।
শেষ কথা
আমাশয় জিনিসটা খুব কম লোক আছে যাদের হয়নি বা হয়না। খুব কম লোক কথাটাও বলা ভুল। প্রত্যেকের একবার না একবার বা অনেকবারই এই আমাশয় হয়ে থাকে। আমাশয়ের কোনো কাল, সময় বা কোনো ঋতু থাকে না। যখন তখন এই হতে পারে। তবে বর্ষাকালে এই রোগ একটু বেশি হয়ে থাকে। আমাশয় জিনিসটা আমরা সবাই একটু আধটু জানি যে পেটে কামড়ানোসহ পিচ্ছিল আম অথবা শ্লেষ্মাযুক্ত সঙ্গে অর্থাৎ নরম পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়াকে বোঝায়। না খুব একটা ভয় পাবার কিন্তু কিছু নেই। আর প্রত্যেকের আমাশয়ে পায়খানার সাথে রক্ত পড়বেই তার কিন্তু কোনো মানে নেই। রক্ত নাও পড়তে পারে। তবে সত্যি কথা বলতে এই আমাশয় টা খুব অসস্থি কর। যার হয় সেই বোঝে। এই সময় খাওয়া দাওয়া অনেকটাই কন্ট্রোল করতে হবে। সেদ্ধতেই চলবে দু এক দিন। পেঁপে সেদ্ধ আর কাছ কলা সেদ্ধ খাওয়া এই সময় খুব দরকার বা খাওয়া প্রয়োজন। বার বার পরিমান মতন নুন আর চিনি মিশ্রিত জল পান করতে হবে। একটা কথা মাথায় রাখবেন যদি আমাশয়ে কোনো রকম বারাবারি দেখেন বা কোনোরকম ভাবেই কোনো টোটকাতেই কিছু হচ্ছে না বা মুখে বলে আমাশয়ের ওষুধ নিয়ে এসেছেন তাতেও কোনোরকম কাজ হচ্ছে না তাহলে আর দেরি না করে সরাসরি ডাক্তারের কাছে গিয়ে একবার দেখানো উচিত আর তখন বা তার পর থেকে ডাক্তারের কথার অনুসরণ করেই চলা উচিত আর ডাক্তারের নির্বাচিত ওষুধ গুলি খাওয়া উচিত। ভালো থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনি শিশু চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যতীত বাচ্চাকে কোনো প্রকার মেডিসিন সেবন করানো থেকে বিরত থাকুন।আপনি বাচ্চাকে দিনে দুইবার স্যালাইন খাওয়াবেন।আপনি বাচ্চাকে আতপ চাল দিয়ে খিচুড়ি বা জাউ করে দিতে পারেন।বাচ্চাটিকে লেবুর শরবত খাওয়ান।বাচ্চাটিকে একবেলা বেবি জিংক খাওয়াতে পারেন।