7 Answers
ফাও কাজ না করে ভাল কাজ করুন জ্ঞান কুড়ান।
নিজেকে সব সময় কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন। আগের কথা গুলো ভুলে যান।নিজের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন। ধন্যবাদ""
আপনি এন্ড্রয়েট ফোনের প্রতি আসক্ত হয়েছেন । আসক্ত বলতে কোন কিছুর প্রতি প্রবল ইচ্ছা বা একই কাজ বার বার করা বুঝাই । তবে এর থেকে মুক্তি পেতে হলে খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে অযথা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া যাবে না । পরিবারের কাজের প্রতি সহনশীল হন । এবং ফোনটি প্রয়োজন অনুযায়ি ব্যবহার করুন । আশা করি ভালো ফলাফর পাবেন ।
প্রথমত ভালো ভালো সাইট গুলো থেকে জ্ঞান আহরণ করার চেষ্টা করুন এবং যারা অহেতুক মোবাইল ব্যাবহার করা পছন্দ করেন না তাদের সঙ্গ দেয়ার চেষ্টা করুন। এরপরও যদি সম্ভব না হয় তাহলে এন্ড্রোয়েড থেকেই দূরে থাকুন।
এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন– দুটির জন্যই পাবেন। এখানে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিবেন। ধরুন ৩০ মিনিট নির্ধারণ করলেন। সেই ৩০ মিনিটে স্ক্রিনে দেখবেন যে একটি বীজ থেকে চারা এবং চারা থেকে গাছ তৈরি হচ্ছে। তবে শর্ত হল, ঐ ৩০ মিনিটে আপনি ফোনে হাত দিতে পারবেন না। ফোনে হাত দিলেই গাছটি নষ্ট হয়ে যাবে। অতএব, নিজেকে ফোন হতে দূরে রাখতে এবার ফোনটাই ব্যবহার করুন ভিন্নভাবে!
আপনি সারা দিনের কাজের একটি রুটিন তৈরি করুন এবং রুটিন মাফিক চলত চেষ্টা করুন। আশাকরি ঠিক হয়ে যাবে।
*স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তির ৫ উপায়: ১. অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন: অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন, বিশেষ প্রয়োজন থাকলে ব্যতিক্রমের তালিকা আপডেট করে কেবল তাদের নোটিফিকেশনই চালু রাখুন। ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে এর নিজস্ব সেটিংসে যেতে হবে। ২. নিয়মিত ডিটক্স করুন: আপনি যখন বাথরুমে যাচ্ছেন বা খাবার খাচ্ছেন সে সময়ে স্মার্টফোনটি আপনার কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি প্রতি শনিবার এটি বন্ধ রাখার চেষ্টাও করতে পারেন। ফোনের সংস্পর্শে না থাকাটা আপনার মস্তিষ্ককে রিসেট করতে সাহায্য করবে। ৩. সময় নির্ধারণ করুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের প্রতিদিনের অনেকটুকু সময় কেড়ে নেয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক বা ই-মেইলে বা যেকোনও মাধ্যমের তাৎক্ষণিক বার্তা পড়ার জন্য দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন। ওই নির্ধারিত সময়ের বাইরে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনও চেকইন এবং স্ক্রলিং করবেন না। পাশাপাশি আপনার ফোনের ফেসবুক অ্যাপটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন। শুধু একটি কম্পিউটার থেকে ফেসবুক ব্যবহার করুন। ৪. অটোপ্লে বন্ধ রাখুন: ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স-এর মতো যা যা আছে সেগুলো প্রায়ই একটি ভিডিও দেখার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিডিওটি বা সমগোত্রের ভিডিও শো করে। এসব কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। আপনার স্মার্টফোনে এসব সাইটের অটোপ্লে অপশন বন্ধ রাখুন। ৫. অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন: হিউম্যান টেকনোলজি সেন্টার নামের একটি সংস্থার তথ্যানুযায়ী বিছানাতে কখনোই স্মার্টফোন রাখা উচিত নয়। স্মার্টফোন নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফোন থেকে যে নীল আলো বের হয় তা আমাদের শরীরের মেলাটোনিন অবমুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর এই মেলাটোনিন রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে। সুতরাং, রাতে ঘুমানোর সময় আপনার ফোনটি বিছানা থেকে একটু বেশিই দূরে রাখুন এবং অ্যালার্ম দেওয়ার প্রয়োজন হলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন। সূত্র: গেজেটস নাউ