2 Answers
যে পদার্থকে ভাংলে বা রাসায়নিক উপায়ে বিশ্লেষন করলে ঐ পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে(সংক্ষেপে)
এই পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮ টি। এর মধ্যে ৯৪ টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। বাকি ২৪ টি গভেষনা গারে কৃত্রিম ভাবে বানানো।
এখানে সবগুলোর নাম দেয়া সম্ভব না তাই এই খানে ক্লিক করে নাম গুলো দেখে নিতে পারেন।
মৌলিক পদার্থ এখন পর্যন্ত ১১৮ টি।
এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৪টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২৪টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়। সাধারণত, একটি মৌলের পরমানুতে প্রোটন সংখ্যা নির্দিষ্ট বা একই মৌলের প্রতিটি পরমানুতে সমান সংখ্যা প্রোটন থাকে (অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেকের পারমানবিক সংখ্যা একই এবং ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পারমানবিক সংখ্যা ভিন্ন)। তাই, সাধারণভাবে প্রোটন সংখ্যা দ্বারা কোন মৌল চেনা যায়। তবে, একই মৌলের ভিন্ন প্রোটন সংখ্যা বিশিষ্ট পরমানুও রয়েছে, যাদেরকে আইসোটোপ বলে। পারমানবিক সংখ্যার উর্ধ্বক্রমানুসারে সাজালে, ১১৮ টি মৌলের প্রথম ৮০টির অন্তত একটি করে আইসোটোপের স্থায়ী রূপ রয়েছে (কয়েকটি ব্যতীক্রম ছাড়া), বাকী ৩৮টি মৌলের আইসোটোপ তেজষ্ক্রিয়, যা সময়ের সাথে ক্ষীয়মান।
প্রকৃতিতে যে মৌলগুলো পাওয়া যায় সেগুলোর ৩২টি মুক্তভাবে অর্থাৎ মৌলিক খনিজ রূপে থাকে (যেমন, তামা, সোনা, রূপা, কার্বন, গন্ধকইত্যাদি)। বাকীগুলো বিভিন্ন যৌগ গঠন করে অর্থাৎ যৌগিক খনিজ রূপে বিদ্যমান।
নিচে কিছু মোলিক পদার্থের নাম দিলাম যার ব্যাবহার আমারা সচারচর করি তার নিচে পর্যায় সারণি দেয়া হলো যাতে সব গুলো মৌলিক পদার্থ দেয়া আছে।