3 Answers

মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ইন্টারনেট এর শুধু অপকারিতাই নেই উপকারিতা ও আছে।তবে সেটা আপনার ব্যবহারের মাধ্যমে। **অপকারিতার দিকগুলিঃ**দীর্ঘ সময় আড্ডা দেয়া অকারনে ফেসবুকে।****তার কারনে পড়ালেখার অবনতি।***বেশিক্ষন ফোন টিপার কারনে শারিরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইত্যাদি। তবে ভালো দিক ও রয়েছেঃ যেমনঃ আপনি ফ্রি ফেসবুক দিয়ে আপনার বন্ধুদের সাথে কোনো সমস্যার সমাধান নিতে পারবেন কিংবা পড়ালেখা সংক্রন্ত কিছু জেনে নিতে পারবেন।তাতে টাকা ও লাগবেনা। কিংবা কোনো বিষয়ে না বুঝলে বিস্ময়ে পোষ্ট করলেন, বড় ভাইয়েরা তার সমাধান দিল।তাতে আপনি উপকৃত হলেন ইত্যাদি।

3152 views

 প্রশ্ন এর উত্তর দেওয়ার পূর্বে আমি আপনাকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ  কারন যুগোপযোগী একটি আপনি প্রশ্ন করেছেন  অনেক কারণ রয়েছে ক্ষতিকর দিক রয়েছে রয়েছে ধ্বংসাত্মক কারণ আমি উল্লেখযোগ্য কিছু দিক তুলে ধরবো  এক. ছাত্র ছোট হওয়ার দরুন মোবাইলের যথাযোগ্য ব্যবহার করতে জানে না তাই তারা মোবাইলের এবং ইন্টারনেটের অপব্যবহার করে থাকে তারা ইন্টারনেট দিয়ে শুধু ফেসবুক এবং এমন জাতীয় বিষয়গুলোতে লিপ্ত হয়ে থাকে  দুই . এর পিছনে পড়ে তাদের মূল্যবান সময়গুলো নষ্ট করে  তিন .  মা-বাবার অবাধ্য আচরণ করতে শুরু করে এটি একটি পরীক্ষিত যদিও সরাসরি দেখা যায়না আমিতো সামান্যই উল্লেখ করেছি এর অপকারিতা দিক হাজারো রয়েছে  ধন্যবাদ:… 

3152 views

হ্যাঁ আপনি ঠিকই বলেছেন। তবে মনে রাখতে হবে যে প্রতিটা জিনিসেরই উপকারিতা এবং অপকারিতা এই দুইটি দিক থাকে। কে কোনটা দিক বেছে নেবে এটা ব্যবহারকারির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। তবে মাধ্যমিক এর বয়সে যেহেতু এত কিছু বিবেচনা করার মতো জ্ঞান তৈরী হয়না তাই প্রতিটা পরিবারের উচিত তাদের সন্তানকে মাধ্যমিকে ফোন ব্যবহার করতে না দেয়া অথবা ব্যবহার করলেও যথাযথভাবে নজরদারি রাখাটাও জরুরি।

3152 views

Related Questions