2 Answers

আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ব্যাকরণের অনেক আগেই ভাষা এসেছে। ভাষা সৃষ্টি হবার পর তার নিয়ম-কানুনকে এক্ষেত্রে শ্রেণীবদ্ধ করে তার নাম প্রথাগত ব্যাকরণ। ভাষার একটা কাঠামো দাঁড়িয়ে গেলে ব্যাকরণের মাধ্যমে তার স্বরূপ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হয়। তাই ভাষার প্রাণরহস্য অনুধাবন করার জন্য যে ব্যাকরণ প্রয়োজন, তাকে প্রথাগত ব্যাকরণ বুঝায়।

3470 views Answered

গ্রিক,লাতিন ও সংস্কৃত ভাষায় দক্ষ গোষ্ঠী অবরোহণ পদ্ধতি অনুসরণ করে স্ব স্ব ভাষার ভাষিক তত্ত্ব থেকে যে ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং আনুশাসনিক রীতিনীতি ভাষার জন্য তৈরি করেছিলেন তাই প্রথাগত ব্যাকরণ।

তাঁরা ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে ভাষাকে অনুসরণ না করে তাঁদের নিজস্ব মতবাদ দিয়ে ভাষাকে প্রভাবিত করেছেন। একারণে তাঁদের প্রণীত ব্যাকরণ বস্তুনিষ্ঠ হয়ে ওঠেনি। তাঁরা একটা কাঠামো দাঁড় করে সেই কাঠামোর ভেতর ভাষাকে ফেলতে চেয়েছেন। কিন্তু ভাষা তাঁর নিজস্ব কাঠামো অনুসরণ করে বলে আধুনিক কালে তাঁদরে প্রণীত ব্যাকরণকে প্রথাগত ব্যাকরণ বলা হয়।

অনেকে বলে থাকেন,স্কুল কলেজে পাঠ্য ব্যাকরণই প্রথাগত ব্যাকরণ।

3470 views Answered

Related Questions

Next steps