4 Answers

রাগ কমানোর কোন সহজ উপায় নেই। আপন বৈশিষ্টের উপরই রাগ নির্ভর করে। নিজেই নিজেকে বলতে হবে যে আপনার রাগ করা যাবে না। যদিও রাগের সময় এটা কঠিন। তারপরও নিজেকে মানাতে হবে। তবে আপনার যখন প্রচণ্ড রাগ হবে, তখন আপনি বসে পড়বেন। কোন ক্রমেই বসা থেকে উঠবেন না, ধিরে ধিরে এ অভ্যাস গড়ুন, দেখবেন একটু হলেও আপনার রাগ কমেছে।।।।।

3019 views

রাগ নিয়ন্ত্রণে নিচের বিষয়গুলো চর্চা করে দেখতে পারেন। গভীরভাবে শ্বাস নিন যদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে, তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দম নিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে। আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে। ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠান্ডা মাথায় বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন। ঠোঁট বন্ধ রাখুন রাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধ করে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময় ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর। অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁ শব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনের কথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্য ধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে। চোখ বন্ধ, কানও বন্ধ রাগের মাত্রা আরও বেড়ে গেলে শুধু ঠোঁট নয়, চোখ আর কানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। এই পরামর্শে মেজাজ খারাপ হতে পারে বটে, কিন্তু এটা সত্যিই কার্যকর। যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন, কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তবে আপনার অভিব্যক্তিতে এমন কিছুই আনবেন না, যা আপনার প্রতিপক্ষকে আপনার মনের ভাব বুঝতে দেয়। আপনি কেবল সাময়িকভাবে দেখাশোনা বন্ধ করে দিন। একটু হেঁটে আসুন ঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন, রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগ সামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থল ত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আর না বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটু শান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। ধ্যান করুন নিয়মিত একটু সময়ের জন্য মেডিটেশন বা ধ্যান করার চর্চা করুন। এটা আপনার চরিত্রে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। ধ্যানচর্চায় অভ্যস্ত হলে আপনি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে না দিয়েই যেকোনো সময় নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাও সেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে।

3019 views

রাগ বা ক্রোধ কোনো অর্থেই ভালো কিছু নয়। সংসার, ব্যক্তিসম্পর্কসহ নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে আপনার অতিরিক্ত রাগের কারণে। গবেষকরা বলছেন রাগ নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে অনেক ইতিবাচক বিষয় তৈরি হয়, যা জীবনযাপনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করে। আর কিছু বিষয় মেনে চললে এই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন কিছুও নয়।

প্রথম, আপনাকে নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া করে বুঝতে হবে আপনার রাগের ধরন কেমন, অর্থাৎ আপনি যখন রেগে যান তার রূপ কতোটা ভয়াবহ হতে পারে। গবেষকদের মত হলো, কেউ যদি তার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় প্রথমেই তাকে অনুধাবন করতে হবে তার মাত্রা কতোটা ভয়াবহ হয়।

দ্বিতীয়, আপনার শরীর সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কেননা আপনি সম্পূর্ণরূপে সুস্থ কিনা। বলা হচ্ছে, শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে ক্রোধ দমন করা কঠিন হয়। একইসঙ্গে অবসরের বিষয়টিও ভাবতে হবে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিয়ম করে যদি যথার্থ অবসর না মেলে, তবে রাগ কমানো কঠিন। গবেষকদের পরামর্শ হলো, অবসর যাপন এবং তা উপভোগ, সুস্থ বিনোদন ক্রোধ কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি।

তৃতীয়, আপনাকে সুস্থ মাথায় রাগের গতিবিধি ও সঠিক নিদের্শনা মোতাবেক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হতে হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত রাগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চলা উচিত। তবে গবেষকদের মত হলো, রাগ কমানোর জন্যে প্রধানতম বিষয়টি হলো, নিজের ইচ্ছা শক্তি। আপনি ইচ্ছা করুন নিয়ন্ত্রণ করার এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন, আর প্রতিটি মুহূর্তে স্মরণ রাখতে চেষ্টা করুন। এই প্রক্রিয়ায় আপনার রাগ কমে আসবে

3019 views
রাগ কমানো টা সম্পূর্ণ  আপনার উপর
নির্ভর  করবেন।
রাগের সময় নিজেকে সামলাতে হবে আপনাকে
 জানি সব সময় সম্ভব হয় না
তবে চেষ্টা করলে হবে

একটা সময় ছিলো আমি এতো বেশি রাগী ছিলাম
যে ভালো কথাতেও রেগে যেতাম
অনেক চেষ্টা করতাম রাগ কমানোর কিন্তূ
পারতাম না।
আমি যখন থেকে নামায পড়া শুরু করেছি তখন থেকে
রাগ কিছুটা কমতে শুরু করেছে
এখনো সম্পূর্ণ কমে নি
আশা করছি আল্লাহ্‌  পথে থাকলে সব টাই কমে যাবে

তাই আপনাকে এই টুকুই বলার আছে
আপনি নামায পড়া শুরু করুন
আল্লাহ্‌ পথে আসুন
দেখবেন অনেক শান্তি পাবেন
নিজের রাগ কেউ চেক দিতে পারবেন
যখন আপনি জানতে পারবেন রাগ আসলে শয়তানের
পাতা ফাদ
তাই ভাই আপনি নামায পড়ুন
এবং হাদিস এর বই গুলা পড়ুন 
দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে
ইনশাল্লাহ 
3019 views