1 Answers
সেলসিয়াস স্কেলঃ এ স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে ০ ডিগ্রী (০০) এবং উর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে ১০০ ডিগ্রী (১০০০) ধরা হয়। মধ্যবর্তী ব্যবধানকে সমান একশত ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রী সেলসিয়াস (১০সে.) বলা হয়। বিজ্ঞানী সেলসিয়াস এ স্কেল উদ্ভাবন করেন বলে তার নাম অনুসারে এ স্কেলকে সেলসিয়াস স্কেল বলা হয়। বৈজ্ঞানিক কাজে এ স্কেল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া অন্যান্য কাজেও বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ স্কেল ব্যবহার করা হয়। যেমন তোমরা আবহাওয়ার খবরে শোন যে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। মধ্যবর্তী দূরত্বকে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় বলে একে সেন্টিগ্রেড (ঈবহঃরঅর্থ একশত এবং মৎধফবঅর্থ ভাগ) স্কেলও বলা হয়। ফারেনহাইট স্কেলঃ এ স্কেলে নি¤œ স্থিরাঙ্ককে ৩২ ডিগ্রী (৩২০) এবং উর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে ২১২ ডিগ্রী (২১২০) ধরা হয়। মধ্যবর্তী ব্যবধানকে সমান ১৮০ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রী ফারেনহাইট (১০ফা.) বলা হয়। বিজ্ঞানী ফারেনহাইট এ স্কেল উদ্ভাবনকরেন বলে তার নাম অনুসারে এ স্কেলকে ফারেনহাইট স্কেল বলা হয়। যেমন তোমার জ্বর হলে কেউ হয়তো বলে থাকেন যে, জ্বর ১০১ ডিগ্রী। আসলে তোমার গায়ের তাপমাত্রা ছিল ১০১ ডিগ্রী ফারেনহাইট।