1 Answers
ঈসা (আঃ)-এর পেশকৃত পাঁচটি নিদর্শনহল তাওহীদ ও রিসালাতের উপরে ঈমান আনার দাওয়াত দেওয়ার পরে তিনি বনু ইস্রাঈলকে তাঁর আনীত নিদর্শন সমূহ বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ﻭَﺭَﺳُﻮْﻻً ﺇِﻟَﻰ ﺑَﻨِﻲْ ﺇِﺳْﺮَﺍﺋِﻴْﻞَ ﺃَﻧِّﻲْ ﻗَﺪْ ﺟِﺌْﺘُﻜُﻢْ ﺑِﺂﻳَﺔٍ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻜُﻢْ ﺃَﻧِّﻲْ ﺃَﺧْﻠُﻖُ ﻟَﻜُﻢْ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻄِّﻴْﻦِ ﻛَﻬَﻴْﺌَﺔِ ﺍﻟﻄَّﻴْﺮِ ﻓَﺄَﻧْﻔُﺦُ ﻓِﻴْﻪِ ﻓَﻴَﻜُﻮْﻥُ ﻃَﻴْﺮﺍً ﺑِﺈِﺫْﻥِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺃُﺑْﺮِﺉُ ﺍﻷﻛْﻤَﻪَ ﻭﺍﻷَﺑْﺮَﺹَ ﻭَﺃُﺣْﻴِـﻲ ﺍﻟْﻤَﻮْﺗَﻰ ﺑِﺈِﺫْﻥِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺃُﻧَﺒِّﺌُﻜُﻢْ ﺑِﻤَﺎ ﺗَﺄْﻛُﻠُﻮْﻥَ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪَّﺧِﺮُﻭْﻥَ ﻓِﻲْ ﺑُﻴُﻮْﺗِﻜُﻢْ ﺇِﻥَّ ﻓِﻲْ ﺫَﻟِﻚَ ﻵﻳَﺔً ﻟَّﻜُﻢْ ﺇِﻥْ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻣُّﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ- (ﺁﻝ ﻋﻤﺮﺍﻥ ৪৯)- ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকটে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে এসেছি নিদর্শনসমূহ নিয়ে। (যেমন-) (১) আমি তোমাদের জন্য মাটি দ্বারা পাখির আকৃতি তৈরী করে দেই। তারপর তাতে যখন ফুঁক দেই, তখন তা উড়ন্ত পাখিতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। (২) আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং (৩) ধবল-কুষ্ঠ রোগীকে। (৪) আর আমি জীবিত করে দেই মৃতকে আল্লাহর হুকুমে। (৫) আমি তোমাদেরকে বলে দেই যা তোমরা খেয়ে আস এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। এতে প্রকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে যদি তোমরা বিশ্বাসী হও’ (আলে ইমরান ৩/৪৯) । উল্লেখ্য যে, যখন যে দেশে যে বিষয়ের আধিক্য ও উৎকর্ষ থাকে, তখন সেই দেশে সেই বিষয়ে সর্বোচ্চ ব্যুৎপত্তি সহ নবী প্রেরণ করা হয়। যেমন মূসার সময় মিসরে ছিল জাদুবিদ্যার প্রাদুর্ভাব। ফলে আল্লাহ তাঁকে লাঠির মো‘জেযা দিয়ে পাঠালেন। অনুরূপভাবে ঈসার সময়ে শাম বা সিরিয়া এলাকা ছিল চিকিৎসা বিদ্যায় সেরা। সেকারণ ঈসাকে আল্লাহ উপরে বর্ণিত অলৌকিক ক্ষমতা ও মো‘জেযা সমূহ দিয়ে পাঠান। যেমন শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর সময়ে আরবরা ভাষা ও সাহিত্যের সর্বোচ্চ অলংকারে ভূষিত ছিল। ফলে কুরআন তাদের সামনে হতবুদ্ধিকারী মো‘জেযা রূপে নাযিল হয়। যাতে আরবের স্বনামখ্যাত কবিরা মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy