1 Answers

মুরগি ছাড়া কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা ডিম। কৃত্রিম উপায়ে তৈরী ডিম খাওয়ার উপযোগী এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বহু দেশে এই ডিম বাজারজাত করা হচ্ছে। চায়নার কিছু বিজ্ঞানী অনেক বছর আগে থেকে গবেষণা করছিল কিভাবে কৃত্রিম ডিম আবিস্কার করা যায়। অনেক বছর গবেষনার পর অবশেষে তারা কৃত্রিম উপায়ে ডিম তৈরী করতে সক্ষম হয়। ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডের সোডিয়াম এবং অনান্য রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত করে কৃত্রিম ডিম তৈরী করা হয়। ১৫০ কেজি কৃত্রিম ডিম তৈরিতে মাত্র ১ কেজি সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে অনেকেই চায়নার কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কৃত্রিম ডিম তৈরী করা শিখছে। কৃত্রিম ডিম তৈরির খরচ খুব কম তাই প্রকিত ডিমের চেয়ে খুব কম মূল্যে পাওয়া যায়। কৃত্রিম ডিম নাকি খেতেও প্রকিত ডিমের মতো সুস্বাদু। তবে অনেকে বলছেন কৃত্রিম ডিম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কৃত্রিম ডিম চেনার কিছু সহজ উপায়— কৃত্রিম ডিম প্রকিত ডিমের চেয়ে দেখতে একটু ছোট। ডিমের খোসা একটু খসখসে। ডিম ভাঙ্গার পর সাদা অংশের সাথে অতি দ্রুত কুসুম মিশে যায়। কৃত্রিম ডিমের ঘন্ধ প্রকিত ডিমের চেয়ে আলাদা। কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর, অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়।

2765 views Answered

Related Questions

Next steps