1 Answers

এই ইনজুরির শিকারও হন মূলত বোলাররাই। বুকের নিচ দিকের চারটি হাড়ের সাথে ইন্টারনাল অবলিক, এক্সটারনাল অবলিক বা ট্রান্সভারসালিস মাংসপেশীর সংযোগস্থলে এ ইনজুরি হয়ে থাকে। বোলার যে হাতে বোলিং করেন, তার উল্টোদিকের মাংসপেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাকে। যেমন, ডানহাতি ফাস্ট বোলারের ক্ষেত্রে বোলিংয়ের সময় যখন ডান হাত ঋজুভাবে বাঁকানো হয়, তখন বাম দিকের উল্লেখিত পেশীগুলোর হঠাৎ সংকোচন ঘটে। বার বার একই ঘটনার ফলে ঐ পেশীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা ছিঁড়ে যেতে পারে। এ ধরণের চোট কমানোর জন্য পেশী সুদৃঢ় করার বিশেষ ব্যায়াম শেখানো হয় খেলোয়াড়দের। বোলারকে যেন অতিরিক্ত বোলিং করতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়। একবারে বেশী চাপ না দিয়ে প্রতি সেশনে বোলিংয়ের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় এবং পেশীর ক্লান্তি দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় বিশ্রাম দেয়া হয়। সাইড স্ট্রেইন হলে প্রাথমিকভাবে বিশ্রামের সাথে সাথে প্রতি দু ঘন্টা পর পর বিশ মিনিট করে আক্রান্ত স্থানে আইস প্যাক লাগানো যেতে পারে।

2624 views