7 Answers

যখন কোন চেককে হস্তান্তর এর উদ্দেশ্যে এর উপরিভাগে সমান্তরাল আড়াআড়ি দুটি রেখা টেনে দেয়া হয়, তখন তাকে Crossed Cheque বা রেখায়িত চেক বলে।

Business Dictionary তে বলা হয়েছে- দুইটি সমান্তরাল রেখার সাথে চেক চিহ্নিত করা (সাধারণত উপরে বাম দিকের কোণে) ‘এন্ড কোং’ শব্দগুলো ছাড়া অথবা লাইনগুলোর মধ্যে ‘হস্তান্তরযোগ্য নয়’ উল্লেখ থাকা।

Crossed Cheque এর সংজ্ঞায় Abdur Raquib বলেন- যখন কোনও চেকের উপরের দিকে বাম কোণে দুটি লাইন সমান্তরালভাবে টানা হয় তখন তাকে ক্রস চেক বলা হয়।

PH Collin বলেন-  ব্যাংকের মাধ্যমে যে চেকের অর্থ প্রদান করা হয় তাকে দাগকাটা চেক বলে।

1969 views

আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল মুক্ত পেশা। অর্থাৎ মুক্তভাবে কাজ করে আয় করার পেশা। আর একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। এখন এই কাজগুলি কি ? আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে কাজগুলো বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা থাকে। যেমন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসাসেবা ইত্যাদি। এইসকল কাজগুলি ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নত ধরনের কাজ করারও ব্যাবস্থা আছে আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে নানা পদ্ধতির মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে আয় করার সহজ উপায়ের নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। বাস্তবে উপরে উল্লিখিত কাজগুলো অথবা এইরকম কারিগরি কাজে দক্ষতা থাকলেও কেবল আউটসোর্সিং জগতে ভাল আয় করা সম্ভব। কোনপ্রকার দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভাল জানাশোনা না থাকলে ধোকা খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই। আপনার করনীয় কয়েক টি কাজ যা না জানলে আপনি আউটসোসিং পারবেন না। . অফিস কোর্স (২০০৭ বা ২০০৪)বিশেষ করে : Ms word. . বেসিক ইন্টারনেট . সাধারণ ইংরেজি জ্ঞান . কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং কোর্স” টি-তে যে বিষয়গুলার উপর আলোচনা হয় ১) ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কি কি ধরনের কাজ কি পরিমানে আছে, আপনার জন্য উপযুক্ত কাজ কোনটি? ২) ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি প্রয়োজন এবং কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন। ৩) সঠিক ভাবে বিড করার কৌশল, প্রোফাইল ৯০%-১০০% ভাগ যেভাবে সম্পন্ন করবেন। ৪) odesk.com ও freelancer.com এর বিভিন্ন অংশের পরিচিতি। ৫) ওয়েব-সাইট কম্পিটিটর এনালাইসিস এবং গুগোল এডসেন্সের মাধ্যমে আয়ের উপায়। ৬) ওয়েব ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স, লোগো ডিজানিং, ইমেজএডিটিং এর মধ্যামে আয়ের উপায়। ৭) আপনার প্রোফাইল এর পোর্টফোলিও পেজটি যেভাবে পরিপুর্ন করবেন। ৮) ব্লগস্পট সাইটে যেভাবে আয় করবেন। ৯) কভার লেটারএবং ওয়ার্কসাবমিশন শেখা

1969 views

আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল মুক্ত পেশা। অর্থাৎ মুক্তভাবে কাজ করে আয় করার পেশা। আর একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে।

1969 views

আউটসোর্সিং দুইটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। একটি হলআউটঅপরটিসোর্সিং অর্থাৎ  যখন কোন কাজ থার্ড পার্টির মাধ্যমে করিয়ে নেওয়া হয়, সাধারণত সেটাকেই আমরা আউটসোর্সিং  বলে থাকি। যেমনঃ অনেক ব্যস্ত কোম্পানি কিছু কাজ তার কোম্পানির বাইরে কাউকে দ্বারা কাজটি করিয়ে নেই তাকেই আউটসোর্সিং বলে

1969 views

আউটসোর্সিং বলতে কোন একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়াকে বুঝায়.

একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। এখন এই কাজগুলি কি ? আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে কাজগুলো বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা থাকে। যেমন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসাসেবা ইত্যাদি। এইসকল কাজগুলি ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা সম্ভব।

1969 views

ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজ কোম্পানির কাজ অন্য কে দিয়ে করানোকে আউটসোর্সিং বলে।

1969 views

ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য ঘরে বসেই কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন উন্নত দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের অনেক কাজ অন্যদের দিয়ে করিয়ে থাকে। ফলে ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একেই outsourcing বা freelancing বলে। এর কয়েকটি ওয়েবসাইট হচ্ছে www.freelancer.com, www.odesk.com, www.guru.com। 

1969 views