user-avatar

Sumya Akter

SumyaTithi

SumyaTithi এর সম্পর্কে
404
যোগ্যতা ও হাইলাইট
নারী
বিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 7.06M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 5.97k টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 4.40M বার
দিয়েছেন 4.86k টি উত্তর দেখা হয়েছে 2.66M বার
2 টি ব্লগ
1 টি মন্তব্য

ভিসার আবেদন করার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার কিন্তু ব্যস্ততার জন্য থানায় যাওয়ার সময় হচ্ছে না? বিদেশে ভিসা/পাসপোর্ট রিনিউ করবেন অথবা গ্রীন কার্ড/ওয়ার্ক পারমিটের জন্য এপ্লাই করবেন কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিবেন এই নিয়ে ভাবছেন? তাহলে জেনে রাখুন সেই ভাবনার দিন শেষ। সেবা প্রত্যাশীদের উন্নত ও দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ চালু করেছে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেবা। যার ফলে খুব সহজে ঘরে বসে শুধুমাত্র কয়েক ক্লিকেই আপনি আবেদন করতে পারেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য। তারপর নির্দিষ্ট সময় পর ঘরে বসেই রিসিভ করুন আপনার কাঙ্খিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। অনলাইনে খুব সহজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেবা গ্রহণের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাচ্ছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এসি (মিডিয়া) সুমন কান্তি চৌধুরী।

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াঃ

জেনে রাখা দরকারঃ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আপনার পাসপোর্টে প্রদত্ত স্থায়ী অথবা বর্তমান ঠিকানার যেকোন একটি ঠিকানায় আবেদন করবেন। এটি হতে হবে মেট্রোপলিটন বা জেলা পুলিশের আওতাধীন এরিয়া। যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরুপ ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রদত্ত জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে স্ক্যান করতে হবে।

আপনি যদি দেশের বাইরে অবস্থান করেন তাহলে আপনার পক্ষে দেশে যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত ফটোকপির স্ক্যানকপি প্রয়োজন।

যদি কুরিয়ারযোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তবে তা Application form উল্লেখ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনঃ

১। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে আপনাকে প্রথমে Registration করতে হবে। Registration করার জন্য ভিজিট করুন  এখানে

২। Registration করার পর লগ-ইন করে Apply মেনুতে ক্লিক করলে একটি Application form আসবে। Form টি তথ্য সহকারে যথাযথভাবে পূরণ করুন।

৩। Application form এর Upload অপশনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের স্ক্যানকপি Upload করুন।

৪। এই পর্যায়ে আপনার প্রদত্ত সকল Information দেখানো হবে। কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়লে তা Back বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তন করা যাবে। তবে Application টি চূড়ান্তভাবে সাবমিট করার পর তা আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।

৫। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন ফি পরিশোধ করার জন্য Pay Offline বাটনে ক্লিক করুন। চালানের মাধ্যমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে Instruction ফলো করুন। বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকেরযে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জসহ ফি প্রদান করুন।

৬। চালানের মূল কপিটি আপলোড করার পূর্বে অবশ্যই এর উপর এপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি লিখে দিন। তা নাহলে আপনার পেমেন্টটি গ্রহণযোগ্য হবেনা এবং আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।

জেনে নিন আবেদনের আপডেটঃ

আবেদনের আপডেট পেতে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন PCC S এরপর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিন 6969 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ পেয়ে যাবেন আপনার আবেদনের সর্বশেষ আপডেট।

সমস্যায় পড়লে হেল্প নিনঃ

পুলিশ হেডকোয়াটার্স হেল্প ডেস্কঃ

আপনার সমস্যার কথা ০১৭৫৫৬৬০১৭২ নম্বরে অবহিত করুন (রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা)। যেকোন ইস্যুতে প্রথমবার কল করার পর টিকেট নম্বর জেনে নিন। একই ইস্যুতে পরবর্তী কলের ক্ষেত্রে টিকেট নম্বর উল্লেখ করুন।

পুলিশ বা কাস্টমস্ কর্তৃক জব্দকৃত গাড়ি আদালতের নির্দেশে আয়োজিত নিলামের মাধ্যমে যে কেউ ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু নিলামের মাধ্যমে গাড়ি ক্রয় করার পর কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যেটা জানতেন না করিম সাহেব । করিম সাহেব নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দর দাতা হিসেবে সরকারী কোষাগারে টাকা জমা প্রদান করে একটি বাজাজ পালচার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল কিনলেন। মোটরসাইকেলটি করিম সাহেব কিছুদিন ব্যবহার করে নিকট বিক্রয় করতে গেলে পড়েন বিপত্তিতে। গাড়ীর রেজিস্ট্রেশনের কোন কাগজপত্র না থাকায় এ বিপত্তি ঘটে । করিম সাহেব নিলামের গাড়ী কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় সে প্রক্রিয়ার বিষয়ে অবগত ছিলেন না। পাঠক, আপনি নিজেও এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই জেনে নিন নিলামে ক্রয়কৃত গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সমূহ।

নিলাম(অকশন) এ কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
=========================================
যে কোন অকশন(থানা, কাস্টমস)
১। পেপার কাটিং (Paper Cutting)
২। সি.এস. কপি/ তুলনামূলক বিবরণী (C.S. Copy)
৩। সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ।
৪। বিক্রয় আদেশ।
৫। বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ।
৬। টাকা জমার রশিদ সমূহ।
৭। কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য।
৮। কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র।
৯। কাস্টমস ডেলিভারী অর্ডার।
১০। কাস্টমস ডেলিভারী মেমো।
১১। কাস্টমস ডেলিভারী ইনভয়েস।
১২। নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা।
১৩। বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।
১৪। ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।
১৬। টি.ও , টি.টি.ও , বিক্রয় রশিদ।
১৭। ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট।
১৮। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন।
১৯। এইচ ফরম পূরণ।
২০। পরিচালক(ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ এর অনুমোদন।
২১। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

এরপর রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া সাধারণ বাইক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মতই।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পড়তে যাওয়া কিংবা মাইগ্রেশনের উদ্দেশ্যে আবেদন করা সহ নানা কাজে দরকার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। পুলিশ ক্লিয়রেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধী নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই।

বর্তমানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল চক্রের বেশ কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করায় সেবা প্রত্যাশীদের অনেকে মনে সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। আর জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশ গেলে পড়তে হবে বিপদে। আসল নকলের ভিড়ে বিপাকে পড়ছে আসল। তাহলে কি করবেন? প্রশ্নকে সহজ করে উত্তরে বলা যায় দরকার সচেতনতা আর কিছু সহজ টেকনিক। আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল না আসল তা পরীক্ষা করে নেয়াটা এখন অনেক সহজ।

কিভাবে দেখবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আসল না নকল? আসুন মিলিয়ে নিন নিচের পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নকল রোধ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ রেফারেন্স নাম্বারসহ বারকোড সিস্টেম চালু করেছে। পাঠক, আপনি যখন অনলাইনে বা ম্যানুয়ালী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করবেন থানা পুলিশ আপনার দেওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।

আপনার নামে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে রেফারেন্স নাম্বারসহ একটি QR কোড জেনারেট হবে। এই রেফারেন্স নাম্বার ও QR কোডের মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করা যাবে। তদ্রুপ বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন QR কোড থাকবে। কিন্তু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এরকমটি পাওয়া যায়না। কেননা  প্রতারকচক্র একটি QR কোড ব্যবহার করেই একাধিক জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী করে বিধায় যাচাই করলে একই নাম ঠিকানা আসবে। একই নাম ঠিকানা আসলেও তা পুলিশের অফিসিয়াল লিংক শো করবেনা। বিষয়টি আরো বোধগম্য করা যাক। আপনি ঘরে বসে আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনের মাধ্যমে আপনার গ্রহনকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল কিনা দুইভাবে যাচাই করতে পারেন।

প্রথমত, রেফারেন্স নাম্বার এর মাধ্যমে-

১। Google এ প্রবেশ করে Address Bar এ www.police.gov.bd লিংকটি লিখতে হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইটের লিংক।

২। পুলিশের অফিসিয়াল সাইটটি ওপেন হলে তার ডানপাশে মাঝামাঝি Online Police Clearance লেখা অপশন এ ক্লিক করতে হবে।

৩। Online Police Clearance Certificate লেখা স্ক্রীন দেখা যাবে।

৪। এরপর মেন্যু বারের Search অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫।  Ref No বক্সে নাম্বারটি লিখে View certificate তে ক্লিক করলে স্ক্রীনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখা যাবে। 

৬। স্ক্রীনে প্রদর্শিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের নাম-ঠিকানা আর আপনার হাতে থাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর নাম ঠিকানা একই হলে বুঝবেন সার্টিফিকেটটি আসল।

দ্বিতীয়ত, QR কোড স্ক্যান করে-

১। আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনে Google Playstore হতে QR কোড স্ক্যানার সফটওয়ার ডাউনলোড করুন।

২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে QR কোড চিহ্নটি আপনার সেল ফোনে ডাউনলোডকৃত QR কোড স্ক্যানার মাধ্যমে স্ক্যান করুন। 

৩। স্ক্যান শেষ হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে সেল ফোনের স্ক্রীনে একটি URL Address দেখা যাবে (চিত্র ১)। যে URL Address টি শুরু হবে www.pcc.police.gov.bd/…… এই Official Link দিয়ে। সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে (চিত্র ৩)। যদি ঐ URL Address টি দেখা না গিয়ে শুধু নাম ঠিকানা আসে তবে বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি আসল নয় (চিত্র ২)।

কোন কোন বারকোড স্ক্যানার সফটওয়ার সরাসরি Official URL Link টি না দেখিয়ে একটি web search option দেখায়। সেক্ষেত্রে Web search এ ক্লিক করলে official Link টি দেখা যাবে এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি নকল।

৪। আর যদি দেখা যায় সার্টিফিকেটে কোন QR কোড নেই তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় তা ভুয়া (চিত্র ৪)। 

তাছাড়া দৃশ্যমান বিষয়সমূহ:

১। সার্টিফিকেটে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ থানার গোল সীল থাকবে।

২। পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার এর কাউন্টার স্বাক্ষর থাকবে।

৩। সার্টিফিকেটের পেছনের পাতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি (কনস্যুলার) এর স্বাক্ষরসহ গোল সীল থাকবে। ‍উক্ত গোল সীলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে (চিত্র ৫)।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১টা ছদ্মনাম ছিল-
.
- অকপ্ট চন্দ্র ভাস্কর
- নবীন কিশোর শর্মন
- ষষ্ঠচরণ দেবশর্মা
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য
- শ্রীমতী মধ্যমা
- শ্রীমতী কনিষ্ঠা
- আন্নাকালী পাকড়াশী
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ
- ভানুসিংহ ঠাকুর
- ভূতনাথ ঠাকুর
- চুতেন তান
.
রবিঠাকুরের গার্লফ্রেন্ডদের নামঃ
- ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
- আনা তড়খড়
- লুসি
- ক্যানি স্কট
- রানু অধিকারি
.
কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যঃ
- রবি ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য এবং ফেসবুক পোস্ট ব্যতিত সব ধরনের সাহিত্যকর্ম লিখেছেন।
- তিনি ৬বার মেট্রিক পরীক্ষা দেন।
- ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা তিনি। শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও রবি ঠাকুরের অনুপ্রেরণায় রচিত।
- বাংলা সাহিত্যের রেঁনেসায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৯১৫টি গান লিখেন এবং আড়াই হাজার ছবি আঁকেন। কিন্তু একটিও Vlog বানান নাই।

উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“গোরা শেষের কবিতার চার অধ্যায় লিখতে গিয়ে চতুরঙ্গের চোখের বালিতে পরিণত হল।
দুইবোন মালঞ্চ ও রার্জষিকে ঘরের বাইরে যোগাযোগ করে পেলনা বলে বৌ ঠাকুররানীর হাটে খুঁজতে গিয়ে
নৌকাডুবি হল।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১.গোরা ২.শেষের কবিতা ৩.চার অধ্যায় ৪.চতুরঙ্গ ৫.চোখের বালি ৬.দুই বোন ৭.মালঞ্চ
৮.রার্জষি ৯.ঘরের বাইরে ১০.যোগাযোগ ১১.বৌঠাকুররানীর হাট ১২.নৌকাডুবি
বিকল্প টেকনিক
বৌয়ের চোখে চার নৌকাডুবি দেখে দুইবোন করুনার শেষে চতুর রাজর্ষি গোরাকে নিয়ে ঘরে বাইরে
যোগাযোগ করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. বৌয়ের— বৌঠাকুরানীর হাট ২. চোখের— চোখের বালি
৩. চার— চার অধ্যায় ৪. নৌকাডুবি— নৌকাডুবি
৫. দুই বোন— দুই বোন ৬. করুনা— করুনা
৭. শেষে— শেষের কবিতা ৮. চতুর— চতুরঙ্গ
৯. রাজর্ষি— রাজর্ষি ১০. গোরা— গোরা
১১. ঘরেবাইরে— ঘরেবাইরে ১২. যোগাযোগ-যোগাযোগ
ছোট গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
পোস্টমাস্টার কাবুলিওয়ালা দেনা পাওনার কর্মফলে হৈমন্তির দিদির পত্র রক্ষা করতে পারল না।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. পোস্টমাস্টার ২. কাবুলিওয়ালা ৩. দেনা পাওনা ৪. কর্মফল ৬. হৈমন্তি ৭. দিদি ৮. পত্র রক্ষা
প্রেমের গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
দূর আশায় দৃষ্টিদান করে ল্যাবরেটরীর অধ্যাপক তার নষ্টনীড় জীবনের শেষের রাত্রির শেষ কথার সমাপ্তি
টেনে স্ত্রীর কাছে পত্র লেখেন
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. ল্যাবরেটরী ২. অধ্যাপক ৩. নষ্টনীড় ৪. শেষ রাত্রি ৫. সমাপ্তি ৬. স্ত্রীর পত্র ৭. একরাত্রি
৮. দূর আশা ৯. দৃষ্টিদান
বিখ্যাত নাটকগুলি মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাজা অচলায়তন চিরকুমারকে ডেকে রক্তকরবী মুক্ত মুকুট নিয়ে অরুনাচল অরুপরতনকে সঙ্গে নিয়ে
কালের যাত্রায় বিসর্জন দিতে তাসের দেশে গেলেন ।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. রাজা-রাজা ২. অচলায়তন-অচলায়তন
৩. চিরকুমার-চিরকুমার সভা ৪. ডেকে –ডাকঘর
৫. রক্তকরবী-রক্তকরবী ৬. মুক্ত —- মুক্তধারা
৭. মুকুট—- মুকুট ৮. অরুণাচল— অরুণাচল
৯. অরুপরতন— অরুপরতন ১০. কালের যাত্রায়—- কালের যাত্রা
১১. বিসর্জন— বিসর্জন ১২. তাসের দেশে—- তাসের দেশ
কাজী নজরুলের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“কুহেলিকা মৃত্যুক্ষুধায় বাধনহারা হয়ে গেল”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) কুহেলিকা
২) মৃত্যুক্ষুধা
৩) বাধনহারা
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক
“আলেয়া তাঁর পুতুলের বিয়েতে ঝিলিমিলি রঙের শাড়ি পড়েছে”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) আলেয়া
২) পুতুলের বিয়ে
৩) ঝিলিমিলি
জসীম উদদীনের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্যগ্রন্থসমূহ মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাখালীদের বালুর চরের ধানক্ষেতে মা জননী হাসুকে নিয়ে সুচয়নী জলের লেখায় সজন বাদিয়ার ঘাটে
হলুদবরণ নকশিকাথা বিছিয়ে গল্প করছেন।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) রাখালী ২) বালুর চর ৩) ধানক্ষেত ৪) মা যে জননী কাঁন্দে ৫) হাসু
৬) সুচয়নী ৭) জলের লেখায় ৮) সজন বাদিয়ার ঘাট ৯) হলুদবরণ ১০) নকশি কাঁথা
বিকল্প টেকনিক
হলুদ বরণীর দেশে হাসু ডালিমকুমার, সখিনা ও সূচয়নী ভয়াবহ সেই দিনগুলোতে একপয়সার বাঁশি
বাজিয়ে ধানক্ষেতের বালুচরে মাটির তৈরি কবর জলে লেখা নকশীকাঁথার কাফন মুড়িয়ে
সোজন বাদিয়ার ঘাটে এসে রাখালির মা যে জননী রঙ্গিলা নায়ের মাঝির জন্য কাঁদতে লাগল।
জীবনানন্দ দাশের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
সতীর্থ তার জলপাইহাটী নিবাসী বান্ধবী কবিতার কথায় তার ছোট বোন কল্যানীকে মাল্যদান করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। জলপাই হাটি ২। সতীর্থ ৩। কল্যানী ৪। মাল্যদান
প্রবন্ধ: কবিতার কথা
কাব্য মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
এই মহাপৃথিবীর মাঝে বেলা অবেলা কালবেলায় সাতটি তারার তিমিরে রুপসী বাংলার মেয়ে বনলতা সেন
কুড়িয়ে পাওয়া ঝরা পালকটি ধূসর পান্ডুলিপির ভেতর যত্ন করে রাখল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রুপসী বাংলা ২। বনলতা সেন ৩। ধূসর পান্ডুলিপি ৪। ঝরাপালক
৫। বেলা অবেলা কালবেলা ৬। সাতটি তারার তিমির ৭। মহা পৃথিবী
মীর মশাররফ হোসেনের সৃষ্টিকর্ম
প্রহসন মনে রাখার শর্ট টেকনিক :
ভাইয়ে ভাইয়ে ফাঁস কাগজে একি করল ? এর উপায় কি?
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। ভাই ভাই এই তো চাই ২। একি ৩। এর উপায় কি ৪। ফাঁস কাগজ
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
বেটা বসন্ত জমিদার।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। বে – বেহুলা গীতাভিনয়
২। টা- টালা অভিনয়
৩। বসন্ত – বসন্ত কুমারী
৪। জমিদার – জমিদার দর্পন
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
রত্নাবতী বিষাদসিন্ধুর পানে তাকিয়ে থাকা উদাসীন পথিকের মনের কথা বুঝতে পেরে বাঁধা খাতাটি
গাজী মিয়ার বস্তানীতে রাখলেন।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রত্নাবতী – বাংলা সাহিত্যের মুসলমান রচিত ১ম উপন্যাস
২। বিষাদসিন্ধু
৩। গাজীমিয়ার বস্তানী
৪। বাঁধা খাতা
৫। উদাসীন পথিকের মনের কথা
মহাকবি কায়কোবাদের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্য মনে রাখার কৌশল:
অমিয়ের সাথে কুসুমের আর দহরম মহরম নেই বিরহ চলছে। তাই সে মহাশ্মশানের শিব মন্দিরে
অশ্রুমালা বিসর্জন দিল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। অমিয়ধারা ২। কুসুমকানন ৩। মহরম শরীফ ৪। বিরহ বিলাপ ৫। শিব মন্দির ৬। অশ্রুমালা
মহাকাব্য:
মহাশ্মশান: বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কতৃক রচিত ১ম মহাকাব্য।
মহাশ্মশান ১৯০৩ সালে রচিত হয়। এটি পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) নিয়ে রচিত।

৬৫ বছর পূর্তিকে নীলা জয়ন্তী বলা হয়।

মুজিব বর্ষ কি?

SumyaTithi
Jan 30, 02:16 PM

মুজিব বর্ষ হল বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ। বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত এ বর্ষ উদ্‌যাপন করা হবে। বাংলাদেশের জাতির পিতা এবং বঙ্গবন্ধু খ্যাত এই তেজস্বী নেতা অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গে (বর্তমানে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে) ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। আবার ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতার অর্ধ-শত বার্ষিকীতে পদার্পণ করবে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমান ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায় ঘোষিত বর্ষটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাল্টি সেক্টরাল কর্মসূচীর আওতায় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রংপুর এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ৮ টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু এসব সেল সমুহ বিভাগীয় পর্যায়ে অবস্থিত হওয়ায় অধিক সংখ্যক নারী ও শিশু এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সারাদেশে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে জেলা সদর হাসপাতালে ৪০ টি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে ২০ টি সেল সহ মোট ৬০ টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার সারা্দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেলের উদ্দেশ্য

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্নভাবে সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুকে স্বাস্থ্যসেবা, পুলিশি সেবা, আইন সহায়তা, মানসিক সহায়তা, পুনর্বাসন ও পুর্নঙ্গীভুতকরণ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য ও সেবা প্রদান করা।

ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)

বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে অবস্থিত ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের একটী মূখ্য কর্মসূচি। নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় সেবা একস্থান থেকে প্রদান করার ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে ওসিসি। প্রকল্পের পাইলট পর্বে ঢাকা (২০০১)ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (২০০২) এবং ১মপর্বে চট্টগ্রাম,সিলেট,বরিশাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (২০০৬) ওসিসি স্থাপিত হয়েছে। প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে রংপুর ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
(২০১১) দেশের ৭ম ও ৮ম ওসিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

ওসিসি প্রদত্ত সেবাঃ
(ক)স্বাস্থ্য সেবা
(খ)পুলিশী সহায়তা
(গ)ডিএনএ পরীক্ষা
(ঘ)সামাজিক সেবা
(ঙ)আইনী সহায়তা
(চ)মনোসামাজিক কাউন্সেলিং
(ছ)আশ্রয়সেবা

কখন প্রথম অবস্থায় গাভীন গরু কিনবেন না। বিক্রেতাদের ফটকাবাজী , দুই নাম্বারী সব গাভীন গরুকে নিয়ে। ফার্ম শুরু করা অবস্থায় অবশ্যই দুধের গরু এবং কিছু বকনা বাছুর মিলিয়ে কিনবেন। দুধের গরুর দুধ দেয়া বন্ধ হয়ে গেলে এরপর আবার দুধের গরু কিনবেন। একটা সাইকেল করে নিলে আপনার নিজের পকেট থেকে গরুর খাবার আর লেবার খরচ দিতে হবেনা। ৩-৪ বছর পর গরু দেখেই যেদিন বুঝে যাবেন কেমন জাত হবে,কেওন দুধ দিতে পারে তখন গাভীন গরু কিনবেন। নতুন থাকা অবস্থায় কখন গাভীন গরু দিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন না।

Term loan অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:54 PM

Tenancy reform অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:48 PM

Temperate Zone অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:46 PM

Teleglogy অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:44 PM

Taxa অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:40 PM

Tax receipt অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:39 PM

Tax burden অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:38 PM

Tax base অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 02:37 PM

Tangible asset অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 12:03 PM

Tachypnea অর্থ কি?

SumyaTithi
Sep 27, 12:00 PM