Sumya Akter (@SumyaTithi)

ভিসার আবেদন করার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার কিন্তু ব্যস্ততার জন্য থানায় যাওয়ার সময় হচ্ছে না? বিদেশে ভিসা/পাসপোর্ট রিনিউ করবেন অথবা গ্রীন কার্ড/ওয়ার্ক পারমিটের জন্য এপ্লাই করবেন কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিবেন এই নিয়ে ভাবছেন? তাহলে জেনে রাখুন সেই ভাবনার দিন শেষ। সেবা প্রত্যাশীদের উন্নত ও দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ চালু করেছে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেবা। যার ফলে খুব সহজে ঘরে বসে শুধুমাত্র কয়েক ক্লিকেই আপনি আবেদন করতে পারেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য। তারপর নির্দিষ্ট সময় পর ঘরে বসেই রিসিভ করুন আপনার কাঙ্খিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। অনলাইনে খুব সহজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেবা গ্রহণের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাচ্ছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এসি (মিডিয়া) সুমন কান্তি চৌধুরী।

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াঃ

জেনে রাখা দরকারঃ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আপনার পাসপোর্টে প্রদত্ত স্থায়ী অথবা বর্তমান ঠিকানার যেকোন একটি ঠিকানায় আবেদন করবেন। এটি হতে হবে মেট্রোপলিটন বা জেলা পুলিশের আওতাধীন এরিয়া। যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরুপ ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রদত্ত জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে স্ক্যান করতে হবে।

আপনি যদি দেশের বাইরে অবস্থান করেন তাহলে আপনার পক্ষে দেশে যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত ফটোকপির স্ক্যানকপি প্রয়োজন।

যদি কুরিয়ারযোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তবে তা Application form উল্লেখ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনঃ

১। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে আপনাকে প্রথমে Registration করতে হবে। Registration করার জন্য ভিজিট করুন  এখানে

২। Registration করার পর লগ-ইন করে Apply মেনুতে ক্লিক করলে একটি Application form আসবে। Form টি তথ্য সহকারে যথাযথভাবে পূরণ করুন।

৩। Application form এর Upload অপশনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের স্ক্যানকপি Upload করুন।

৪। এই পর্যায়ে আপনার প্রদত্ত সকল Information দেখানো হবে। কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়লে তা Back বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তন করা যাবে। তবে Application টি চূড়ান্তভাবে সাবমিট করার পর তা আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।

৫। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন ফি পরিশোধ করার জন্য Pay Offline বাটনে ক্লিক করুন। চালানের মাধ্যমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে Instruction ফলো করুন। বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকেরযে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জসহ ফি প্রদান করুন।

৬। চালানের মূল কপিটি আপলোড করার পূর্বে অবশ্যই এর উপর এপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি লিখে দিন। তা নাহলে আপনার পেমেন্টটি গ্রহণযোগ্য হবেনা এবং আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।

জেনে নিন আবেদনের আপডেটঃ

আবেদনের আপডেট পেতে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন PCC S এরপর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিন 6969 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ পেয়ে যাবেন আপনার আবেদনের সর্বশেষ আপডেট।

সমস্যায় পড়লে হেল্প নিনঃ

পুলিশ হেডকোয়াটার্স হেল্প ডেস্কঃ

আপনার সমস্যার কথা ০১৭৫৫৬৬০১৭২ নম্বরে অবহিত করুন (রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা)। যেকোন ইস্যুতে প্রথমবার কল করার পর টিকেট নম্বর জেনে নিন। একই ইস্যুতে পরবর্তী কলের ক্ষেত্রে টিকেট নম্বর উল্লেখ করুন।

পুলিশ বা কাস্টমস্ কর্তৃক জব্দকৃত গাড়ি আদালতের নির্দেশে আয়োজিত নিলামের মাধ্যমে যে কেউ ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু নিলামের মাধ্যমে গাড়ি ক্রয় করার পর কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যেটা জানতেন না করিম সাহেব । করিম সাহেব নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দর দাতা হিসেবে সরকারী কোষাগারে টাকা জমা প্রদান করে একটি বাজাজ পালচার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল কিনলেন। মোটরসাইকেলটি করিম সাহেব কিছুদিন ব্যবহার করে নিকট বিক্রয় করতে গেলে পড়েন বিপত্তিতে। গাড়ীর রেজিস্ট্রেশনের কোন কাগজপত্র না থাকায় এ বিপত্তি ঘটে । করিম সাহেব নিলামের গাড়ী কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় সে প্রক্রিয়ার বিষয়ে অবগত ছিলেন না। পাঠক, আপনি নিজেও এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই জেনে নিন নিলামে ক্রয়কৃত গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সমূহ।

নিলাম(অকশন) এ কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
=========================================
যে কোন অকশন(থানা, কাস্টমস)
১। পেপার কাটিং (Paper Cutting)
২। সি.এস. কপি/ তুলনামূলক বিবরণী (C.S. Copy)
৩। সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ।
৪। বিক্রয় আদেশ।
৫। বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ।
৬। টাকা জমার রশিদ সমূহ।
৭। কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য।
৮। কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র।
৯। কাস্টমস ডেলিভারী অর্ডার।
১০। কাস্টমস ডেলিভারী মেমো।
১১। কাস্টমস ডেলিভারী ইনভয়েস।
১২। নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা।
১৩। বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।
১৪। ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।
১৬। টি.ও , টি.টি.ও , বিক্রয় রশিদ।
১৭। ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট।
১৮। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন।
১৯। এইচ ফরম পূরণ।
২০। পরিচালক(ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ এর অনুমোদন।
২১। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

এরপর রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া সাধারণ বাইক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মতই।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পড়তে যাওয়া কিংবা মাইগ্রেশনের উদ্দেশ্যে আবেদন করা সহ নানা কাজে দরকার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। পুলিশ ক্লিয়রেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধী নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই।

বর্তমানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল চক্রের বেশ কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করায় সেবা প্রত্যাশীদের অনেকে মনে সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। আর জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশ গেলে পড়তে হবে বিপদে। আসল নকলের ভিড়ে বিপাকে পড়ছে আসল। তাহলে কি করবেন? প্রশ্নকে সহজ করে উত্তরে বলা যায় দরকার সচেতনতা আর কিছু সহজ টেকনিক। আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল না আসল তা পরীক্ষা করে নেয়াটা এখন অনেক সহজ।

কিভাবে দেখবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আসল না নকল? আসুন মিলিয়ে নিন নিচের পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নকল রোধ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ রেফারেন্স নাম্বারসহ বারকোড সিস্টেম চালু করেছে। পাঠক, আপনি যখন অনলাইনে বা ম্যানুয়ালী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করবেন থানা পুলিশ আপনার দেওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।

আপনার নামে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে রেফারেন্স নাম্বারসহ একটি QR কোড জেনারেট হবে। এই রেফারেন্স নাম্বার ও QR কোডের মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করা যাবে। তদ্রুপ বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন QR কোড থাকবে। কিন্তু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এরকমটি পাওয়া যায়না। কেননা  প্রতারকচক্র একটি QR কোড ব্যবহার করেই একাধিক জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী করে বিধায় যাচাই করলে একই নাম ঠিকানা আসবে। একই নাম ঠিকানা আসলেও তা পুলিশের অফিসিয়াল লিংক শো করবেনা। বিষয়টি আরো বোধগম্য করা যাক। আপনি ঘরে বসে আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনের মাধ্যমে আপনার গ্রহনকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল কিনা দুইভাবে যাচাই করতে পারেন।

প্রথমত, রেফারেন্স নাম্বার এর মাধ্যমে-

১। Google এ প্রবেশ করে Address Bar এ www.police.gov.bd লিংকটি লিখতে হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইটের লিংক।

২। পুলিশের অফিসিয়াল সাইটটি ওপেন হলে তার ডানপাশে মাঝামাঝি Online Police Clearance লেখা অপশন এ ক্লিক করতে হবে।

৩। Online Police Clearance Certificate লেখা স্ক্রীন দেখা যাবে।

৪। এরপর মেন্যু বারের Search অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫।  Ref No বক্সে নাম্বারটি লিখে View certificate তে ক্লিক করলে স্ক্রীনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখা যাবে। 

৬। স্ক্রীনে প্রদর্শিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের নাম-ঠিকানা আর আপনার হাতে থাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর নাম ঠিকানা একই হলে বুঝবেন সার্টিফিকেটটি আসল।

দ্বিতীয়ত, QR কোড স্ক্যান করে-

১। আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনে Google Playstore হতে QR কোড স্ক্যানার সফটওয়ার ডাউনলোড করুন।

২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে QR কোড চিহ্নটি আপনার সেল ফোনে ডাউনলোডকৃত QR কোড স্ক্যানার মাধ্যমে স্ক্যান করুন। 

৩। স্ক্যান শেষ হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে সেল ফোনের স্ক্রীনে একটি URL Address দেখা যাবে (চিত্র ১)। যে URL Address টি শুরু হবে www.pcc.police.gov.bd/…… এই Official Link দিয়ে। সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে (চিত্র ৩)। যদি ঐ URL Address টি দেখা না গিয়ে শুধু নাম ঠিকানা আসে তবে বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি আসল নয় (চিত্র ২)।

কোন কোন বারকোড স্ক্যানার সফটওয়ার সরাসরি Official URL Link টি না দেখিয়ে একটি web search option দেখায়। সেক্ষেত্রে Web search এ ক্লিক করলে official Link টি দেখা যাবে এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি নকল।

৪। আর যদি দেখা যায় সার্টিফিকেটে কোন QR কোড নেই তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় তা ভুয়া (চিত্র ৪)। 

তাছাড়া দৃশ্যমান বিষয়সমূহ:

১। সার্টিফিকেটে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ থানার গোল সীল থাকবে।

২। পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার এর কাউন্টার স্বাক্ষর থাকবে।

৩। সার্টিফিকেটের পেছনের পাতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি (কনস্যুলার) এর স্বাক্ষরসহ গোল সীল থাকবে। ‍উক্ত গোল সীলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে (চিত্র ৫)।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কি কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১টা ছদ্মনাম ছিল-
.
- অকপ্ট চন্দ্র ভাস্কর
- নবীন কিশোর শর্মন
- ষষ্ঠচরণ দেবশর্মা
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য
- শ্রীমতী মধ্যমা
- শ্রীমতী কনিষ্ঠা
- আন্নাকালী পাকড়াশী
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ
- ভানুসিংহ ঠাকুর
- ভূতনাথ ঠাকুর
- চুতেন তান
.
রবিঠাকুরের গার্লফ্রেন্ডদের নামঃ
- ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
- আনা তড়খড়
- লুসি
- ক্যানি স্কট
- রানু অধিকারি
.
কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যঃ
- রবি ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য এবং ফেসবুক পোস্ট ব্যতিত সব ধরনের সাহিত্যকর্ম লিখেছেন।
- তিনি ৬বার মেট্রিক পরীক্ষা দেন।
- ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা তিনি। শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও রবি ঠাকুরের অনুপ্রেরণায় রচিত।
- বাংলা সাহিত্যের রেঁনেসায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৯১৫টি গান লিখেন এবং আড়াই হাজার ছবি আঁকেন। কিন্তু একটিও Vlog বানান নাই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কি কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“গোরা শেষের কবিতার চার অধ্যায় লিখতে গিয়ে চতুরঙ্গের চোখের বালিতে পরিণত হল।
দুইবোন মালঞ্চ ও রার্জষিকে ঘরের বাইরে যোগাযোগ করে পেলনা বলে বৌ ঠাকুররানীর হাটে খুঁজতে গিয়ে
নৌকাডুবি হল।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১.গোরা ২.শেষের কবিতা ৩.চার অধ্যায় ৪.চতুরঙ্গ ৫.চোখের বালি ৬.দুই বোন ৭.মালঞ্চ
৮.রার্জষি ৯.ঘরের বাইরে ১০.যোগাযোগ ১১.বৌঠাকুররানীর হাট ১২.নৌকাডুবি
বিকল্প টেকনিক
বৌয়ের চোখে চার নৌকাডুবি দেখে দুইবোন করুনার শেষে চতুর রাজর্ষি গোরাকে নিয়ে ঘরে বাইরে
যোগাযোগ করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. বৌয়ের— বৌঠাকুরানীর হাট ২. চোখের— চোখের বালি
৩. চার— চার অধ্যায় ৪. নৌকাডুবি— নৌকাডুবি
৫. দুই বোন— দুই বোন ৬. করুনা— করুনা
৭. শেষে— শেষের কবিতা ৮. চতুর— চতুরঙ্গ
৯. রাজর্ষি— রাজর্ষি ১০. গোরা— গোরা
১১. ঘরেবাইরে— ঘরেবাইরে ১২. যোগাযোগ-যোগাযোগ
ছোট গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
পোস্টমাস্টার কাবুলিওয়ালা দেনা পাওনার কর্মফলে হৈমন্তির দিদির পত্র রক্ষা করতে পারল না।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. পোস্টমাস্টার ২. কাবুলিওয়ালা ৩. দেনা পাওনা ৪. কর্মফল ৬. হৈমন্তি ৭. দিদি ৮. পত্র রক্ষা
প্রেমের গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
দূর আশায় দৃষ্টিদান করে ল্যাবরেটরীর অধ্যাপক তার নষ্টনীড় জীবনের শেষের রাত্রির শেষ কথার সমাপ্তি
টেনে স্ত্রীর কাছে পত্র লেখেন
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. ল্যাবরেটরী ২. অধ্যাপক ৩. নষ্টনীড় ৪. শেষ রাত্রি ৫. সমাপ্তি ৬. স্ত্রীর পত্র ৭. একরাত্রি
৮. দূর আশা ৯. দৃষ্টিদান
বিখ্যাত নাটকগুলি মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাজা অচলায়তন চিরকুমারকে ডেকে রক্তকরবী মুক্ত মুকুট নিয়ে অরুনাচল অরুপরতনকে সঙ্গে নিয়ে
কালের যাত্রায় বিসর্জন দিতে তাসের দেশে গেলেন ।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. রাজা-রাজা ২. অচলায়তন-অচলায়তন
৩. চিরকুমার-চিরকুমার সভা ৪. ডেকে –ডাকঘর
৫. রক্তকরবী-রক্তকরবী ৬. মুক্ত —- মুক্তধারা
৭. মুকুট—- মুকুট ৮. অরুণাচল— অরুণাচল
৯. অরুপরতন— অরুপরতন ১০. কালের যাত্রায়—- কালের যাত্রা
১১. বিসর্জন— বিসর্জন ১২. তাসের দেশে—- তাসের দেশ
কাজী নজরুলের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“কুহেলিকা মৃত্যুক্ষুধায় বাধনহারা হয়ে গেল”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) কুহেলিকা
২) মৃত্যুক্ষুধা
৩) বাধনহারা
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক
“আলেয়া তাঁর পুতুলের বিয়েতে ঝিলিমিলি রঙের শাড়ি পড়েছে”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) আলেয়া
২) পুতুলের বিয়ে
৩) ঝিলিমিলি
জসীম উদদীনের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্যগ্রন্থসমূহ মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাখালীদের বালুর চরের ধানক্ষেতে মা জননী হাসুকে নিয়ে সুচয়নী জলের লেখায় সজন বাদিয়ার ঘাটে
হলুদবরণ নকশিকাথা বিছিয়ে গল্প করছেন।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) রাখালী ২) বালুর চর ৩) ধানক্ষেত ৪) মা যে জননী কাঁন্দে ৫) হাসু
৬) সুচয়নী ৭) জলের লেখায় ৮) সজন বাদিয়ার ঘাট ৯) হলুদবরণ ১০) নকশি কাঁথা
বিকল্প টেকনিক
হলুদ বরণীর দেশে হাসু ডালিমকুমার, সখিনা ও সূচয়নী ভয়াবহ সেই দিনগুলোতে একপয়সার বাঁশি
বাজিয়ে ধানক্ষেতের বালুচরে মাটির তৈরি কবর জলে লেখা নকশীকাঁথার কাফন মুড়িয়ে
সোজন বাদিয়ার ঘাটে এসে রাখালির মা যে জননী রঙ্গিলা নায়ের মাঝির জন্য কাঁদতে লাগল।
জীবনানন্দ দাশের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
সতীর্থ তার জলপাইহাটী নিবাসী বান্ধবী কবিতার কথায় তার ছোট বোন কল্যানীকে মাল্যদান করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। জলপাই হাটি ২। সতীর্থ ৩। কল্যানী ৪। মাল্যদান
প্রবন্ধ: কবিতার কথা
কাব্য মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
এই মহাপৃথিবীর মাঝে বেলা অবেলা কালবেলায় সাতটি তারার তিমিরে রুপসী বাংলার মেয়ে বনলতা সেন
কুড়িয়ে পাওয়া ঝরা পালকটি ধূসর পান্ডুলিপির ভেতর যত্ন করে রাখল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রুপসী বাংলা ২। বনলতা সেন ৩। ধূসর পান্ডুলিপি ৪। ঝরাপালক
৫। বেলা অবেলা কালবেলা ৬। সাতটি তারার তিমির ৭। মহা পৃথিবী
মীর মশাররফ হোসেনের সৃষ্টিকর্ম
প্রহসন মনে রাখার শর্ট টেকনিক :
ভাইয়ে ভাইয়ে ফাঁস কাগজে একি করল ? এর উপায় কি?
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। ভাই ভাই এই তো চাই ২। একি ৩। এর উপায় কি ৪। ফাঁস কাগজ
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
বেটা বসন্ত জমিদার।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। বে – বেহুলা গীতাভিনয়
২। টা- টালা অভিনয়
৩। বসন্ত – বসন্ত কুমারী
৪। জমিদার – জমিদার দর্পন
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
রত্নাবতী বিষাদসিন্ধুর পানে তাকিয়ে থাকা উদাসীন পথিকের মনের কথা বুঝতে পেরে বাঁধা খাতাটি
গাজী মিয়ার বস্তানীতে রাখলেন।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রত্নাবতী – বাংলা সাহিত্যের মুসলমান রচিত ১ম উপন্যাস
২। বিষাদসিন্ধু
৩। গাজীমিয়ার বস্তানী
৪। বাঁধা খাতা
৫। উদাসীন পথিকের মনের কথা
মহাকবি কায়কোবাদের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্য মনে রাখার কৌশল:
অমিয়ের সাথে কুসুমের আর দহরম মহরম নেই বিরহ চলছে। তাই সে মহাশ্মশানের শিব মন্দিরে
অশ্রুমালা বিসর্জন দিল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। অমিয়ধারা ২। কুসুমকানন ৩। মহরম শরীফ ৪। বিরহ বিলাপ ৫। শিব মন্দির ৬। অশ্রুমালা
মহাকাব্য:
মহাশ্মশান: বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কতৃক রচিত ১ম মহাকাব্য।
মহাশ্মশান ১৯০৩ সালে রচিত হয়। এটি পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) নিয়ে রচিত।

নীলা জয়ন্তী কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

৬৫ বছর পূর্তিকে নীলা জয়ন্তী বলা হয়।

নীলা জয়ন্তী কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

মুজিব বর্ষ কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

মুজিব বর্ষ হল বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ। বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত এ বর্ষ উদ্‌যাপন করা হবে। বাংলাদেশের জাতির পিতা এবং বঙ্গবন্ধু খ্যাত এই তেজস্বী নেতা অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গে (বর্তমানে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে) ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। আবার ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতার অর্ধ-শত বার্ষিকীতে পদার্পণ করবে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমান ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায় ঘোষিত বর্ষটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

মুজিব বর্ষ কয়টি দেশ পালন করবে?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাল্টি সেক্টরাল কর্মসূচীর আওতায় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রংপুর এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে ৮ টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু এসব সেল সমুহ বিভাগীয় পর্যায়ে অবস্থিত হওয়ায় অধিক সংখ্যক নারী ও শিশু এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সারাদেশে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে জেলা সদর হাসপাতালে ৪০ টি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে ২০ টি সেল সহ মোট ৬০ টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার সারা্দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেলের উদ্দেশ্য

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্নভাবে সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুকে স্বাস্থ্যসেবা, পুলিশি সেবা, আইন সহায়তা, মানসিক সহায়তা, পুনর্বাসন ও পুর্নঙ্গীভুতকরণ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য ও সেবা প্রদান করা।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)

বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে অবস্থিত ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের একটী মূখ্য কর্মসূচি। নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় সেবা একস্থান থেকে প্রদান করার ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে ওসিসি। প্রকল্পের পাইলট পর্বে ঢাকা (২০০১)ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (২০০২) এবং ১মপর্বে চট্টগ্রাম,সিলেট,বরিশাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (২০০৬) ওসিসি স্থাপিত হয়েছে। প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে রংপুর ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
(২০১১) দেশের ৭ম ও ৮ম ওসিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

ওসিসি প্রদত্ত সেবাঃ
(ক)স্বাস্থ্য সেবা
(খ)পুলিশী সহায়তা
(গ)ডিএনএ পরীক্ষা
(ঘ)সামাজিক সেবা
(ঙ)আইনী সহায়তা
(চ)মনোসামাজিক কাউন্সেলিং
(ছ)আশ্রয়সেবা

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

পুলিশের ওয়ান স্টপ সার্ভিস কি?

SumyaTithi
Jan 30, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

 ভূমিকা : আদিম যুগের অরণ্যবাসী মানুষ বুনোপশুকে পোষ মানানোর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রথম সামাজিক জীবনের সূচনা করেছিল। সেই থেকেই বনের পশু মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী। তাই মানুষের জীবনধারণের ক্ষেত্রে গৃহপালিত পশুর গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ যেদিন থেকে বনের পশুকে পোষ মানিয়ে সমাজবদ্ধ জীবন যাপন শুরু করল, সেদিন থেকেই মানবসমাজের গোড়াপত্তন হয় এবং বুনো জন্তু-জানোয়ার গৃহপালিত পশু হিসেবে মানুষের কাছে আশ্রয় পায়। আর এ জন্যেই মানুষের জীবনযাত্রার পাশাপাশি এই জন্তু-জানোয়ার নিত্যসহচরের মতো কাজ করে আসছে।

পরিচিতি : বাংলাদেশের গৃহপালিত পশুগুলোর মধ্যে গরু অন্যতম। কৃষিনির্ভর এদেশে চাষাবাদের কাজে গরু অপরিহার্য। আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গরুর গাড়ির একটি বিশিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। গরুর মাংস ও দুধ খুব উপাদেয় খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তা ছাড়া গাড়িটানা, ধানমাড়ানো, ঘানিটানা ইত্যাদি নানা কাজে গরু ব্যবহৃত হয়। গরুর গোবর, হাড়, চামড়া, শিং সবই কাজে লাগে। সুতরাং গরু জীবিত কিংবা মৃত যে-কোনো অবস্থাতেই আমাদের নানা উপাকার করে।

মহিষ হচ্ছে গৃহপালিত পশুদের মধ্যে অন্যতম। এই পশুটি গরুর মতোই উপকারী। তবে এদের দুধ গরুর দুধের মতো তত পুষ্টিকর নয়। মহিষ পালন করা খুব কষ্টসাধ্য। কারণ, গরমের সময় এরা পানি ছাড়া থাকতে পারে না। এদের আহারও বেশি দিতে হয়। তবে শক্তিশালী পশু হিসেবে এদের পরিচিতি সর্বাধিক।

গৃহপালিত পশুদের আরেকটি সদস্য হচ্ছে ঘোড়া। শোনা যায়, আদিম যুগের মানুষ সবাই আগে পোষ মানাতে পেরেছিল ঘোড়াকে। ঘোড়া পোষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ঘোড়া পরিবহন, লাঙল টানা ও যুদ্ধে ব্যবহৃত হত প্রাচীনকাল থেকেই। এ প্রাণীটি আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আমাদের দেশে ঘোড়ার গাড়ির একটি ঐতিহ্য আছে। এর দুধ ও মাংস সুখাদ্য হিসেবে প্রচলিত নয়। তা ছাড়া মরণের পর এ খুব একটা উপকারে আসে না। ঘোড়া পোষা ব্যয়বহুল হওয়াতে সর্বাপেক্ষা সুন্দর এই পশুটির সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

গাধা আরেকটি গৃহপালিত পশু। প্রাচীনকাল থেকেই ভারবাহী জন্তু হিসেবে গাধা পরিচিত। এরা দেখতে অনেকাংশে ঘোড়ার মতোই। কিন্তু আধুনিককালে বাহন হিসেবে গাধার ব্যবহার কমে যাওয়াতে এদের বংশ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

অনেকেই ছাগল ও ভেড়া শখ করে পুষে থাকে। এদের মাংস শৌখিন খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত। ছাগলের দুধ সুপেয়ী। এদের চামড়া, হাড়, গরু মহিষের চামড়া হাড়ের মতোই উপকারী।

কুকুর পোষ মনে বলে গৃহপালিত জন্তু হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে। বিদেশিদের অনুকরণে আমাদের দেশে ব্যাপক হারে কুকুর পোষা হয় না। কিছু কিছু পরিবার অবশ্য কুকুর পুষে থাকে। এমনিতে এদেশিয় কুকুর না পুষলেও মানুষের আঙিনাতেই থাকে। কুকুর তার মনিবের বিশ্বস্ত ও ভক্ত হয়ে থাকে। কুকুরের প্রভুভক্তির অনেক বিস্ময়কর কাহিনী দেশে-বিদেশে প্রচলিত। মল, আবর্জনা, পচা হাড় মাংস খেয়ে এদেশিয় কুকুর অনেক উপকার করে থাকে। তবে প্রতিবছর কিছু পাগলা কুকুরেরও উপদ্রব দেখা যায়।

বিড়ালও পোষ মানে। শৌখিন লোকেরা বিড়াল পোষে। ইঁদুর-শিকার এদের প্রধান কাজ। কিন্তু চুরি করে দুধ, মাছ, মাংস খেতে এরা ওস্তাদ। বিড়ালের শরীর কোমল ও মনোরম বলে অনেক বিড়ালই মানুষের আদর পেয়ে থাকে।

চিড়িয়াখানাতে ও সার্কাস পার্টিতে বাঘ, হাতি, ভাল্লুক, বানর দেখা যায়। এসব পশু মানুষের প্রাত্যহিক যাত্রায় তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। তবে হাতি এক সময় যানবাহন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

উপসংহার : বাংলাদেশে যত গৃহপালিত পশু আছে সবগুলোই দেশের উৎপাদনমুখী ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যাপক সহায়তা করে। তা ছাড়া এরা নিজেরাও অর্থকরী হিসেবে বিবেচিত হয়। আমদের পশু মন্ত্রণালয় ও পশুপালন বিভাগ পশুর চিকিৎসা, সংরক্ষণ ও যত্নের প্রতি তৎপর রয়েছে। আমাদের সকলেরই গৃহপালিত পশুদের প্রতি যত্নশীল ও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। কারণ পশুসম্পদের উন্নতির সাথে সাথে জাতীয় উন্নতির বিষয়টি জড়িত।

গরুর রচনা

SumyaTithi
Jan 28, 2020-এ লিখেছেন

গরুর রচনা


গৃহপালিত পশু গরু রচনা

সূচনা : সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ অবধি সভ্যতার অগ্রগতির সাথে মানুষের পাশাপাশি যে প্রাণী সবচেয়ে বেশি উপকার করে আসছে তার নাম গরু। এ প্রাণী খুব শান্তশিষ্ট ও অত্যন্ত নিরীহ। নীরবে-নিবৃতে সবার উপকারই করে, কিন্তু কোনো প্রতিদান চায় না। এই প্রানী এক সময় বন্য ছিল। সভ্যতার অগ্রগতির সাথে নিতান্ত প্রয়োজনের তাগিদেই মানুষ গরুকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। আর তখন থেকেই গরু গৃহপালিত জন্তু হিসেবে আমাদের ভালোবাসা ও মমতা লাভ করে আসছে। শুধু তা-ই নয়, আমাদের অর্থনীতিতেও গরুর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আকৃতি ও প্রকৃতি : গরু একটি গৃহ পালিত চতুষ্পদ প্রাণী। চতুষ্পদ এই প্রাণীটি ‍উচ্চতায় তিন-চার হাত ও দৈর্ঘ্য পাঁচ-ছয় হাত হয়ে থাকে। এটির মুখ লম্বাকৃতির, মাথায় দুটি শিং, জলে-ভাসা ডাগর ডাগর কালো দুটি চোখ, দুটি লম্বা কান ও শরীরের পেছনে একটি লম্বা লেজ আছে। তার অগ্রভাগে একগুচ্ছ চুল আছে। এর গলার চামড়া ঝুলে থাকে। এটি গলকম্বল নামে পরিচিত। গরুর সারা শরীর ছোট ও ঘন লোমে আবৃত। এদের পায়ের খুর দ্বিখন্ডিত। মুখের দুমাড়ির নিচেরটিতে কেবল একটি পাটি দাঁত আছে। গরু বিভিন্ন বর্ণের দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে লাল, কালো, সাদা এবং কিছু কিছু মিশ্র বর্ণের হয়ে থাকে।

প্রকৃতি : গরু অত্যন্ত নিরীহ ও শান্ত প্রকৃতির জন্তু। স্ত্রীজাতীয় গরু ও পুরুষজাতীয় গরুর স্বভাব একটু পৃথক। এক বছর পরপর গাভী একটি বাচ্চা প্রসব করে। গাভীর সন্তানবাৎসল্য মায়ের মতোই। সদ্যপ্রসূত বাচ্চার ধারেকাছে গেলে কিংবা বাছুরকে ধরতে গেলেই এরা শিং নাড়া দিয়ে ভয় দেখায়। পুরুষ গরু বা ষাঁড় রাগীও হয়। তারা পোষ মানে। হাম্বা শব্দে নিজেদের মনোভাব প্রকাশ করে। সুস্থ অবস্থায় এরা পনেরো থেকে বিশ বছর পযন্ত বেঁচে থাকে।

খাদ্য : তৃণভোজী প্রাণী গরু ঘাস ছাড়াও গাছের পাতা, শুকনো খড়, ভুসি, খৈল, কলাই, ভাতের ফেন ইত্যাদিও খেয়ে থাকে। গরু খাওয়ার সময় প্রথমে গিলে ফেলে, পরে বিশ্রামের সময় সেই খাদ্যদ্রব্য উগরে মুখে নিয়ে আসে, তারপর ভালোমতো চিবিয়ে খায়। একে জাবর কাটা বলে।

উপকারিতা : অন্যান্য যে-কোনো পশুর তুলনায় গরু সবচেয়ে উপকারী জন্তু। গরুর দুধ অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এই দুধ অনেক সময় মানবশিশুর মায়ের দুধের অভাব পূরণ করতে পারে। দুধ থেকে দই, ছানা, মাখন, ঘি, পনির, ক্ষীর ও নানা রকম মিষ্টি তৈরি হয়। স্বাস্থ্যের জন্য এগুলোর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। গরুর মাংস একটি উপাদেয় ও বলকারক খাবার। তা ছাড়া, গোময় বা গোবর একটি উত্তম সার। অনেকে আবার গোবর শুনিয়ে ঘুঁটে তৈরি করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে। গরুর চামড়া দিয়ে জুতা, ব্যাগ, সুটকেস, বাক্স তৈরি হয়। শিং ও খুর দিয়ে শিরিষ আঠা তৈরি হয়। হাড় থেকে তৈরি হয় বোতাম ও চিরুনি। হাড়ের গুঁড়ো একটি উত্তম সার। ষাঁড় ও বলদ লাঙল, গাড়ি ইত্যাদি টানে। একসময় আমাদের দেশের কৃষকরা জমি ও মইয়ের জন্যে গরু ছাড়া আর কিছুর কল্পনাই করতে পারত না।

প্রাপ্তিরস্থান : পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই গরু দেখতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের গরু অন্যান্য দেশের গরুর তুলনায় কিছুটা ছোট। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আমেরিকার গরু অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ ও বলিষ্ঠ। তা ছাড়া বুনোগরুও আছে। এরা সাধারণত হিংস্র প্রকৃতির হয়। বাংলাদেশের সুন্দর বন ও অন্যান্য স্থানে এ সমস্ত বুনোগরু দেখা যায়। তার মধ্যে নীল গাই অন্যতম।

রোগ : গরু সাধারণত পেটফুলা, তড়কা, খুরারোগ, গোবসন্ত, গলাফুলা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

উপসংহার : গরু আমাদের যত উপকার করে থাকে সে তুলনায় তাদের প্রতি আমরা উদাসীন। খাটুনির হারে খাবার দিই কম। ফলে অসহায় জন্তুগুলো দিন দিন দুর্বল ও রুগ্ন হয়ে পড়ে। তাই দেখা যায়, একটি ফ্রিসিয়ানা বা অস্ট্রেলিয়ান গাভী যতটুকু দুধ দেয় আমাদের দেশি গাভী তার চেয়ে কম দুধ দেয়। শুধু তা-ই নয়, উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের দেশে আলাদা গোচারণ ভূমি নেই। অনেক সময় অসুস্থ গরু প্রায় বিনা চিকিৎসায় ও গৃহস্থের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করে। গরুর মতো এমন জন্তু নেই যা আমাদের এত বেশি উপকারে আসে। সহানুভূতিশীল হলে এগুলোও শক্তিশালী ও বলিষ্ঠ হয়ে উঠবে, দুধও দেবে অনেক। তা ছাড়া গরুপালন অত্যন্ত লাভজনক। বর্তমানে আমাদের দেশে সরকারের পশুপালন বিভাগ সংকর প্রক্রিয়ায় ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত প্রজাতির বাছুর পাবার ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে মূলকথা হচ্ছে, গরুর প্রতি আমাদের সবার যত্নশীল ও সদয় হওয়া কর্তব্য।

কখন প্রথম অবস্থায় গাভীন গরু কিনবেন না। বিক্রেতাদের ফটকাবাজী , দুই নাম্বারী সব গাভীন গরুকে নিয়ে। ফার্ম শুরু করা অবস্থায় অবশ্যই দুধের গরু এবং কিছু বকনা বাছুর মিলিয়ে কিনবেন। দুধের গরুর দুধ দেয়া বন্ধ হয়ে গেলে এরপর আবার দুধের গরু কিনবেন। একটা সাইকেল করে নিলে আপনার নিজের পকেট থেকে গরুর খাবার আর লেবার খরচ দিতে হবেনা। ৩-৪ বছর পর গরু দেখেই যেদিন বুঝে যাবেন কেমন জাত হবে,কেওন দুধ দিতে পারে তখন গাভীন গরু কিনবেন। নতুন থাকা অবস্থায় কখন গাভীন গরু দিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন না।

গরুর থাকার ঘরের পরিমাপ কি?

SumyaTithi
Dec 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনি যদি কম পয়সার মধ্যে ঘর বানাতে চান নিজের কমন সেন্স এপ্লাই করুন যে একটা গরুর লম্বা কতটুকু হতে পারে, তার সামনে খাবার পাত্রের জন্য জায়গা কতটুকু লাগতে পারে, গরুর দেহের আকৃতি তুলনায় পাশে কত খানি জায়গা লাগতে পারে, পিছনে ময়লা পরিষ্কারের জন্য কতটুকু জায়গা লাগতে পারে। নিজে নিজে একটু হিসাব করলেই সুন্দর একটা সমাধান আপনি নিজেই বের করতে পারবেন। এটা রকেট সাইন্স নয়। আর যদি অনেক টাকা পয়সা খরচ করে বানাতে চান তাহলে আমাদের দেশের বড় বড় ফার্ম এবং ইন্টারনেটে ফার্ম গুলো দেখেন একট ধারনা পাবেন।

গরুর থাকার ঘরের পরিমাপ কি?

SumyaTithi
Dec 2, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন

গরুকে ছেড়ে পালতে পারলে সব থেকে ভালো। তবে যেখানে ছেড়ে রাখবেন সেই জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং রোগ জীবানু মুক্ত হতে হবে। জায়গাটা ঘেরাও থাকলে সব থাকলে ভালো যেন মানুষ বা অন্য পশু পাখি না ঢুকতে পারে। আমরা অনেক শুনেছি ছেড়ে পালা গরু মাঠে চড়ে খাবার সময় বিষক্রিয়ায় মারা গেছে। সেক্ষেত্রে ঘেরাও করা জায়গা না থাকলে গোয়াল ঘরে বেধে পালন করাই ভালো।

গায়ে সাদা কালো দাগ থাকলে বুঝবেন যে সেটা ক্রস গরু, মানে ফ্রিজিয়ানের না অন্য জাতের মিক্স আছে। দুধের গরু কেনার ক্ষেত্রে সব সময় দুধ চেক করে নিতে হবে। বিক্রেতাকে না বলে নিজে চলে যাবেন প্রথম বিকালের দুধ কত লিটার হয় তা দেখার জন্য। ভালমত দুধ দোয়ায়ে বাছুরকে খাইয়ে ঠিকতার পরের দিন যাবেন সকাল বেলা দুধ দোয়াতে। এই বিকাল+সকালের দুধ হিসান করলেই আপনি বুঝতে পারবেন ওই গরুটা কত লিটার দুধ দেবে। ভুলেও আগে সকালে এবং এরপর বিকালের দুধ চেক দিবেন না। অবশ্যই আগে বিকালের এরপর সকালের। আর বাজারে একটা কথা চালু আছে তা হলঃ প্রতি লিটার দুধ = ১০,০০০/-। তার মানে দাড়ালো যে গরু ১০ লিটার দুধ দেবে বাছুর সহ ওটার দাম দেবেন ১ লক্ষ টাকা। তবে ভাল জাত, উচ্চতা, গায়ের রঙ ভেদে দাম কম বেশী হতে পারে।

Loading...