বিবাহ ঋণ নেয়ার পর যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায় কিংবা বউ পালিয়ে যায় সেক্ষেত্রে কি হবে?
বিবাহের জন্য ঋণ দিচ্ছে দেশের কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক। আপনি যেকোন প্রতিষ্ঠানে সরকারি বা বেসরকারি যদি চাকরি করেন এবং আপনার বেতন সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা হয় তবে আপনি বিবাহ ঋণ পাবেন। বিয়ে না করে থাকলে বিবাহের আগ্রহ নিয়ে ঋণের উদ্দেশ্যে ব্যাংকগুলোতে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। কিন্তু এই বিবাহ ঋণ দেয়ার পর যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায় কিংবা বউ পালিয়ে যায় অথবা ডিফল্টার হয়ে যায় সেক্ষেত্রে করনীয় কি হবে?
শুনলাম কিছু ব্যাংক বিয়ে করতে লোন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে জব করি, আমার ব্যাংকে বিনিয়োগ বা ইনভেস্টমেন্ট দেয়, লোন দেয় না, তাই এমন সিদ্ধান্তের অপশন নাই, এমন কোন সিদ্ধান্তও এখনো হয় নাই।
এখন প্রশ্ন হলো-১. বাড়ীর সামনে সাইনবোর্ডে কি লেখা থাকবে এই বউ ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ?২. লোনের বিয়ের বউ পালালে ব্যাংকের ভূমিকা কি হবে?৩. ডিফল্টার হলে ব্যাংক কার বিরূদ্ধে মামলা করবে?ক. স্বামী (যে লোন নিয়েছে)খ. বউ (যার জন্য লোন নিয়েছে)গ. ঘটক (যার জন্য লোন নিতে হয়েছে)৪. ডিভোর্স হলে কি হবে?৫. শেষ প্রশ্নঃ লোনের বউ মরে গেলে তা কি সরাসরি মন্দঋণ হবে নাকি স্বত্ববিলোপ হবে?
সাকসেসফুল ব্যাংকাররা উত্তর দিয়ে যাবেন আশাকরি।
কার্টেসিঃ মুশফিকুর রহমান (রতন), ব্যাংকার
3 Answers
১. বাড়ীর সামনে কোন সাইনবোর্ডে লেখা থাকবে না।
২.লোনের বিয়ের বউ পালালে ব্যাংকের ভূমিকা হবে লোন গ্রহিতার কাছে টাকা আদায় করা।
৩. ডিফল্টার হলে যে লোন নিয়েছে ব্যাংক তার বিরূদ্ধে মামলা করবে।
৪. ডিভোর্স হলে লোন গ্রহিতার কাছে পাওনা আদায় করতে হবে।
৫.লোনের বউ মরে গেলে তা সরাসরি মন্দঋণ হবে।
১। বিবহের জন্য ঋন নিয়েছে এটা কখনো কারো বাড়ির সামনে সাইনবোডে লেখা থাকবে না
২। যদি বিবাহের পর স্বামী স্ত্রী অালাদা হয় বা ডিবোর্স হয়ে যায় তবু ব্যাংক ঋন গ্রহিতার কাছ থেকে তা অাদায় করবে
৩। যদি স্বামী বা স্ত্রী ঋন পরিশোধ হওয়ার অাগ পর্যন্ত কেউ মারা যান তাহলে সেটা সরাসরি মন্দ ঋন হবে না।
সকল ক্ষেত্রে ব্যাংক যখন ঋন দেয় ব্যাংক তখন ব্যাংক ঋন গ্হীতার কাছ থেকে কিছু লিগাল ইনফরমেশন কালেক্ট করে নেয়।যা সকল প্রশাসনিক ভাবে অাইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করা যায়
তাই যে কেউ ঋন নিলে তাকে অবশ্যই ব্যাংকের লোন পরিশোধ করতে হবে।।।।
এমনটি হলে ব্যাংক উভয়ের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আর যদি স্ত্রী মৃত্যুবরন করে তাহলে সে ক্ষামা পাবে কিন্তু স্বামীকে টাকা পরিশোধ করতে হবে।