1 Answers
উদ্দীপকের মেসার্স মোদীপ কোং কিছু কর্মীর অবহেলা লক্ষ করলে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ কাজটি অনুসরণ করতে হবে বলে আমি মনে করি।
এর মাধ্যমে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি-না তা তদারকি করা হয়। এরপর ত্রুটি-বিচ্যুতি নির্ণয় করা হয়। আর সবশেষে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সংশোধনীমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সঠিক ও যথার্থ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বাধা দূর করা যায়। প্রয়োজনে কর্মীদের পুরস্কার, তিরস্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উদ্দীপকের মেসার্স মোদীপ কোং প্রতি বছর মুনাফার ১০% কর্মীদের দেয়। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের শিক্ষা ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর সাথে কর্মীদের আর্থিক প্রেষণা দেওয়ার মিল আছে। এতে দেখা যায়, কর্মীরা দক্ষতার সাথে কাজ করছে এবং অপচয় কমে যাচ্ছে।
মেসার্স মোদীপ কোং কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। কিন্তু কর্মীদের মধ্যে এরপরও কাজের অবহেলা দেখা যেতে পারে। কারণ সবাই একই ধরনের মানসিকতার নয়। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের পুরস্কার দেওয়ার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের কাজের তদারকি করতে পারে। কর্মীদের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করে তিরস্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এছাড়া, সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত কার্যফল তুলনা করে সংশোধনী ব্যবস্থা নিতে পারে। ফলে কর্মীদের কাজের প্রতি সতর্কতা ও জবাবদিহিতা সৃষ্টি হবে। শাস্তি দেওয়ার ফলে কাজের অবহেলা এবং ইচ্ছাকৃত ভুল কমবে। এতে কর্মীরা কাজের প্রতি মনোযোগী হবে। অতএব, প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের প্রেষণা দেওয়ার পরেও অবহেলা দেখা দিলে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।