1 Answers

উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশপ্রেমের ভাব প্রকাশিত হয়েছে। 

জন্মভূমির প্রতি অনুরাগ ও ভালোবাসা মানুষকে গৌরব দান করে। স্বদেশের মাটির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে মানুষ ধন্য হয়। 

স্বদেশের দান গ্রহণ করে সে আত্মতৃপ্তি লাভ করে। নিজেকে মর্যাদাবান মনে করে। উদ্দীপকের কবিতাংশে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। কবি তার প্রিয় মাতৃভাষা বাংলায় গান গেয়ে তৃপ্ত হন। নিজেকে চিরদিন বাংলার মাঝেই খুঁজে পান। এ ভাবটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও প্রতিফলিত হয়েছে। কবি তাঁর দেশকে এবং দেশের প্রতিটি বস্তুকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। এ কারণেই তিনি প্রবাসে বসেও শৈশবের প্রিয় কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করেছেন। কবি কপোতাক্ষ নদকে মিনতি করেছেন স্বদেশের জন্য তাঁর হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর কাছে সে যেন পৌছে দেয়, তাদের কাছে তা ব্যক্ত করে। এভাবে কবিতায় প্রকাশিত কবির এই অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে।

4 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views