1 Answers

সার্বিয়া থেকে ২০০৮ সালে থেকে কসোভো তাদের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল। 

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views