1 Answers
শাহিন সাহেবের কার্যক্রমটি সামাজিক উন্নয়নে দারিদ্রদ্র্য বিমোচন কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।
সামাজিক উন্নয়নে সরকারি সংস্থাসমূহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। দারিদ্র্য বিমোচন তার অন্যতম। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয় তাই হলো দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম। এদেশের বেশিরভাগ লোক দরিদ্র। এ বিশাল দরিদ্র লোকের ভাগ্যোন্নয়নে তাই সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়। কারণ দরিদ্র লোকদের ভাগ্যোন্নয়ন না ঘটিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে গতিশীলতা এবং পূর্ণতা দান করার জন্য দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম হাতে নেওয়া উচিত।
বাংলাদেশ এটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশের অধিকাংশ জনগণ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। এক্ষেত্রে দেশের সরকারি সংস্থা দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য নানা ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে। যেমন পল্লি উন্নয়ন প্রকল্প ৫, পল্লি উন্নয়ন প্রকল্প ৯, পল্লি উন্নয়ন প্রকল্প ১২ এবং পল্লি দরিদ্র সমবায় প্রকল্প। এসব প্রকল্পের কাজ হলো ভূমিহীন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের ঋণ প্রদানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। এসব কর্মসূচিতে দরিদ্র মহিলাদেরকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়। কেননা সমাজের একটি বৃহৎ জনসংখ্যা মহিলা এবং এরা পুরুষের ন্যায় বাড়ির বাইরে কাজে। বের হতে চায় না। যার কারণে মহিলাদেরকে এসব প্রকল্পের আওতায় এনে তাদেরকে কর্মের প্রতি আকৃষ্ট করার মাধ্যমে সরকারি সংস্থা সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও সরকারি সংস্থার এসব প্রকল্পের আওতায় শাকসবজি চাষ, পয়ঃনিষ্কাশন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন প্রভৃতি কার্যক্রম রয়েছে। এভাবে সামাজিক উন্নয়নে দারিদ্র্য বিমোচনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।