1 Answers
প্রযুক্তিগত পরিবর্তন শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা। আর এই দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয় আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা।
বর্তমান সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রয়োগের নানাবিধ প্রয়াস লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা পাঠ্যক্রমে ICT অন্তর্ভুক্ত করেছে। আবার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আকর্ষণীয় ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত করা হচ্ছে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজে ও আনন্দের সাথে বিবিধ বিষয় আয়ত্ত করতে পারছে। এই প্রযুক্তিগত উপাদানের ফলে এখন যেকোনো মানুষ যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারে। বাংলাদেশে বসেও এখন একজন শিক্ষার্থী চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারে।
প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষককে মুখোমুখি না দেখেও ই-মেইল, চ্যাট, ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে পাঠগ্রহণ করতে পারে। অনলাইনে শিক্ষক তার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন করে সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারেন। এই ব্যবস্থাকে সহজভাবে Virtual Learning Environment (VLE) বলা হয়। বর্তমানে এই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০১২ এ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আবশ্যকীয় বিষয় হিসেবে মাধ্যমিক স্তরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উপরের আলোচনার ওপর ভিত্তি করে তাই বলা যায়, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।