1 Answers
ইসলামি আইন ও বিধি-বিধান সঠিকভাবে পালনের জন্য প্রত্যেক মুসলমানের যেকোনো একটি মাযহাব অনুসরণ করা অত্যাবশ্যক, যা হাসান সাহেবের বক্তব্যেও প্রকাশিত হয়েছে। ইসলাম বুদ্ধিভিত্তিক কালজয়ী জীবনব্যবস্থা। ইসলাম স্থবির নয়। নয় কোনো বিশেষ যুগ ও দেশের জন্য। ফলে মহানবি (স)- এর তিরোধানের পর ইসলাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে অনেক নতুন সমস্যার উদ্ভব ঘটে। আর নতুন নতুন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কুরআন ও সুন্নাহর মূলনীতিগুলোর ব্যাখ্যা- বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ এবং হাদিস সম্ভারের মধ্যে কোনটি অধিক প্রাধান্য পাবে এসব বিষয়ে ইমামদের মতপার্থক্য ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মুসলিম সমাজে প্রধানত চারটি মাযহাবের সৃষ্টি হয়। যথা: ১. হানাফি, ২. মালিকি, ৩. শাফিঈ এবং ৪. হাম্বলি।
উল্লিখিত মাযহাবে বিধানগত ভিন্নতা থাকলেও মূল বিষয় একই। সব মাযহাব প্রণেতাই আল্লাহর ইবাদত পালন এবং রাসুল (স) এর নির্দেশনা অনুসরণের কথা বলে। মাযহাবের ভিন্নতার কারণে মুসলিম সমাজে ইবাদত পালন ও শরিয়তের হুকুম পালনে কিছুটা পদ্ধতিগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। তবে প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য হলো যেকোনো একটি মাযহাবকে অনুসরণ করে কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনা করা। মাযহাব না বুঝে শরিয়তের হুকুম পালনে ভিন্নতা খুঁজলে গুনাহগার হতে হবে। সুতরাং হাসান সাহেবের বক্তব্যের আলোকে প্রত্যেক মুসলমানের যেকোনো একটি মাযহাব মেনে চলা উচিত।