1 Answers

জনাব ইউনুসের উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- উক্তিটি যথার্থ। ইসলামের দৃষ্টিতে সব মৌলিক ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো হালাল উপার্জন। যার উপার্জন হালাল নয়, তার যাবতীয় ইবাদত যথা- সালাত, সাওম, জাকাত, হজ, দান-সদকাহ ইত্যাদি কিছুই কবুল হবে না। জনাব ইউনুস ইসলামের সব ইবাদত যথারীতি পালন করেন। কিন্তু তার উপার্জন হালাল নয়। এজন্য তার কোনো ইবাদতই কবুল হবে না। আর একারণেই ইউনুসের উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।

মানুষের প্রথম ফরজ কাজ হচ্ছে ইমান আনা। ইমান পোষণের পূর্বে ইসলামের কোনো কাজ, কোনো বিধান মানাই মানুষের জন্য ফরজ নয়। ইমান এনে মুমিন হওয়ার পর ব্যক্তির ওপর সালাত, জাকাত, সাওম, হজ প্রভৃতি ইবাদত ফরজ হয়। কিন্তু এ ইবাদতগুলো কবুল হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করে, ব্যক্তির উপার্জনের ধরনের ওপর। ব্যক্তির উপার্জন যদি হালাল হয় তাহলে তার ইবাদত কবুলযোগ্য হবে। আর অবৈধ উপার্জনকারীর ইবাদত কবুল হয় না। ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হলো হালাল উপার্জন। তাই জনাব ইউনুসের উপার্জন ইবাদত কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে বাধাস্বরূপ।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, মানুষের ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য হালাল উপার্জন অপরিহার্য।

5 views

Related Questions