1 Answers
নাফিজার চরিত্রে ইমান ও লজ্জাশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ইসলাম শালীনতার ধর্ম। আর একজন মুমিন ইসলামের এ বৈশিষ্ট্যের ধারক। মুমিন ব্যক্তি ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান মেনে চলেন। আচার-আচরণ, কথা-বার্তা, পোশাক-আশাক সবকিছুতে সুন্দর ও শোভন হওয়া ইসলামের নীতি। অশ্লীলতা ও অশোভন আচরণ মানুষের নৈতিক জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। তাই ইসলামের আদর্শ ও শিক্ষা উন্নত সংস্কৃতির ধারক। এখানে অনৈতিকতা, অশ্লীলতার কোনো স্থান নেই। তাই নাফিজা ইসলামি আচার-আচরণ ও বিধি-বিধান মেনে চলে ইমানদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে।
ইসলাম সব মানুষকে নম্র, ভদ্র ও শালীন হওয়ার নির্দেশ দেয়। যেসব কাজ শালীনতাবিরোধী ইসলামে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পোশাক-পরিচ্ছদ ও চলাফেরায় শালীনতার অভাব অনেক সময় সমাজে অশ্লীলতার প্রসার ঘটায়। ইভটিজিং, ব্যভিচার ইত্যাদি জঘন্য অপরাধের জন্ম দেয়। তাই বিনা প্রয়োজনে, অশালীনভাবে নারীদের বাইরে ঘুরে বেড়ানো উচিত নয়। এক্ষেত্রে বাইরে যেতে হলে পর্দা ও শালীনতা অবলম্বন করে যেতে হবে। এ প্রসঙ্গে মহানবি (স) বলেছেন, 'লজ্জাশীলতার পুরোটাই কল্যাণময়' (মুসলিম)। তিনি আরও বলেন, 'অশ্লীলতা যেকোনো জিনিসকে খারাপ করে এবং লজ্জাশীলতা যেকোনো জিনিসকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে' (তিরমিজি)। সুতরাং চলাফেরা, পোশাক-পরিচ্ছদ, কথাবার্তা, আচার-আচরণে লজ্জাশীল ও মার্জিত হয়ে শালীনতার অনুশীলন করা ইসলামের নির্দেশ। নাফিজা এ নির্দেশ মান্য করে একজন মুমিনের পরিচয় দিয়েছে।