1 Answers
ফল বাগানের ব্যাপারে মিনহাজকে সান্ত্বনা দিয়ে মায়মুনা যে বক্তব্য দিয়েছে তা আমি সমর্থন করি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ ও ফসলের গুরুত্ব অপরিসীম। বৃক্ষ ও ফসলের মাধ্যমে মানুষের প্রতি আল্লাহর রহমত অফুরান ধারায় বর্ষিত হয়। বৃক্ষ ও ফসল মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের ব্যবস্থা করে। এছাড়া এগুলো পশু-পাখিরও আহার যোগায়। উদ্দীপকে মিনহাজের বাগান থেকেও পাখিদের ফল খাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়।
উদ্দীপকের মিনহাজের ফলের বাগান থেকে পাখিরা ফল খায়। মিনহাজ বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ হয়। তখন স্ত্রী তাকে মনোক্ষুণ্ণ না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলে, এর পুরস্কার আল্লাহ দেবেন। হাদিসে এসেছে, 'কারো বাগান থেকে যদি কোনো মানুষ কিংবা কোনো পশু বা পাখি আহার করে, তবে তা অবশ্যই সে ব্যক্তির জন্য সাদকা হবে' (বুখারি ও মুসলিম)। বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে মানুষ পার্থিব লাভের পাশাপাশি পরকালীন কল্যাণও লাভ করতে পারে। কেননা মানুষ ছাড়াও পশু-পাখি বৃক্ষের ফল খেয়ে থাকে। এতে বৃক্ষরোপণকারী ও ফসল আবাদকারী সওয়াব লাভ করে। এ ফল- ফসল সাদকা করে দিলে যে সওয়াব হতো পশুপাখি বা মানুষের খাওয়ার ফলে আল্লাহ তায়ালা রোপনকারীর আমলনামায় সে পরিমাণ সওয়াব লিখে দেন।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, পাখি ফল খেয়ে ফেলার ফলে মিনহাজের যে মনোকষ্ট হয়েছিল তা দূর করার জন্য মায়মুনার উপদেশ প্রদান যথার্থ ছিল।