1 Answers
ইমাম সাহেবের বক্তব্যে মাদানি সুরার বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে। মাদানি সুরাগুলো হলো বিশ্বাস বা ইমান আনার পর আমলের দিক। এ জন্যই আমরা মাদানি সুরার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দেখতে পাই এসব সুরায় ইবাদতের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া আহকামে শরিয়া, হালাল, হারাম ও ইসলামি রীতিনীতিরও বিশদ বর্ণনা রয়েছে এখানে। যা ইমাম সাহেবের বক্তব্যেও প্রকাশিত হয়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, জনাব ইবরাহিম তার পঠিত সুরাগুলোর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলে ইমাম সাহেব তাকে আরো কিছু সুরার কথা বলেন, যার বৈশিষ্ট্যগুলো জনাব ইবরাহিম এর পঠিত সুরাগুলোর বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে আলাদা। মূলত জনাব ইবরাহিমের পঠিত সুরাগুলো হলো মক্কি সুরা এবং ইমাম সাহেবের বর্ণিত সুরাগুলো হলো মাদানি সুরা।
ইসলামের ব্যবহারিক আইন, বিবাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও সামাজিক মেলামেশার রীতিনীতির বর্ণনা, ইসলামে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নীতি, আদর্শ পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে এ সুরাসমূহে। দৈনন্দিন লেনদেন, উত্তরাধিকার আইন, যুদ্ধরীতি, জিহাদ ইত্যাদির বর্ণনা, ইহুদি ও মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র, ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের | আচরণবিধি ও তাদের অধিকারের বর্ণনাও মাদানি সুরার বৈশিষ্ট্য উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, ইমাম সাহেবের বক্তব্যে মাদানি সুরার বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে, যা মানুষের ব্যবহারিক জীবন পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করে। তাই আমাদের উচিত আল কুরআনের সুরাসমূহ সঠিকভাবে অধ্যয়ন করে সুষ্ঠু জীবন পরিচালনা করা।