1 Answers
দল-২ এর তালিকায় উল্লেখিত ২নং বিষয়টি হলো প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে মানুষের অনেক কিছু করণীয় রয়েছে। কারণ প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা পরিবেশ সংরক্ষণে মানুষের মূল দায়িত্ব। এজন্য রাসুল (স) যুদ্ধ ক্ষেত্রেও বিনা প্রয়োজনে গাছের একটি পাতা পর্যন্ত ছিঁড়তে নিষেধ করতেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত দল-২ এর তালিকায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে যা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় মানুষের করণীয় হলো- পাহাড়-পর্বত কেটে সমান করবে না। বরং পাহাড়কে তার প্রকৃত অবস্থায় রাখতে তাতে প্রচুর গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেবে। প্রয়োজনীয় বনভূমি গড়ে তুলবে। পাশাপাশি গড়ে তুলবে সবুজ বাসগৃহ। বসতবাড়ির চারপাশে গাছ লাগাবে। নদীকে শিল্পবর্জ্যের দূষণমুক্ত রাখবে। তারা নাব্য রক্ষার ব্যবস্থা নেবে। পরিকল্পিত বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ অব্যাহত রেখে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ করবে।
এজন্য মানুষ সামাজিক সংগঠন গড়ে তুলবে। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে গণসচেতনতা সৃষ্টি করবে। মানুষের জন্য সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ সংরক্ষণের এই যে উদ্যোগ ইসলামি আদর্শ হতে পারে এর নেপথ্য প্রেরণা। রাসূলুল্লাহ (স) বনায়নের ব্যাপারে বিপুল উৎসাহ দিয়েছেন। প্রকৃতিকে তার নিজস্ব অবস্থায় রাখার গুরুত্ব দিয়েছেন। অন্য সবদিকের মতো এক্ষেত্রেও তাই ইসলামের সার্বজনীন ও সর্বকালীন কল্যাণময় দিকটিই প্রতি ফলিত হয়ে উঠছে। বস্তুত ব্যক্তিগত উন্নতি, পারিবারিক শান্তি, সামাজিক সংহতি, রাষ্ট্রীয় স্থিতি ও আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জনে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা অপরিহার্য।