1 Answers

হায়দারকে সাওমের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের পাশাপাশি কুরআন-হাদিসের নির্দেশ উল্লেখ করে সাওম পালনে উদ্বুদ্ধ করা যায়। 

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে সাওম ৫ম। সাওম অস্বীকার করলে সে কাফির হয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "তোমাদের ওপর সাওম ফরজ করা হয়েছে, যেন তোমরা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করতে পার" (সুরা আল-বাকারা: ১৮৩)।

উদ্দীপকের হায়দার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে। কিন্তু সাওম পালন কষ্টকর বিধায় তা পালনে অবহেলা করে। অথচ সাওম পালন একজন মুসলিমকে সকল প্রকার কুপ্রবৃত্তি থেকে দূরে রাখে। আবার একজন ধনী ব্যক্তি সাওম পালনের মাধ্যমে দরিদ্রদের কষ্ট বুঝতে পারে এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। 

এতে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসে। রমজানে মানুষ একে অন্যকে ইফতার করায়, যায় দরুন সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় হয়। এভাবে সাওম পালনের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বগুলো হায়দারকে বুঝিয়ে দিয়ে এবং আখিরাতে আল্লাহর দিদার লাভের কথা উল্লেখ করে সাওম পালনে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব।

5 views

Related Questions