1 Answers

Begum Rokeya was able to gain recognition in the then Bengali society for her literary works. In his time, not only among the women's society, but also among the many established male writers, a writer as intelligent, secular and liberal as Rokeya was rare. Begum Rokeya used to go from house to house and explain the importance of female education to the parents. For this he had to endure a lot of criticism and reproach. But with indomitable courage and steely spirit, he never retreated.

5 views

Related Questions

Translate into English:উত্তরাঞ্চলের একটি ছোট্ট শহরের এক ক্রেতা রাত দশটার দিকে পাড়ার দোকানের উদ্দেশ্যে একটি স্বল্প মূল্যের সাধারণ পণ্য কিনতে বের হলেন। ভাবছিলেন দোকনগুলো বোধহয় বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণত হয়ে যায়। দেখলেন আসলেও বন্ধ হয়ে গেছে। হঠাৎ দেখলেন এক দোকনদার দোকান বন্ধ করে রিক্সায় উঠেছেন মাত্র। ক্রেতা তাকে অনুরোধ করলেন পণ্যটি দেয়া যায় কিনা। দোকনদার রিক্সা থেকে নেমে দোকান খুলে (যা সময় সাপেক্ষ) শুধুমাত্র ৫ টাকার পণ্যটি বিক্রয় করলেন। কেন? এটি কি শুধুমাত্র একটি মানবিক আচরণ নাকি দীর্ঘকালীন ব্যবসায়িক আচরনের সাথে ঐ দোকানদার আসলে দোকানের মালিক এবং তাঁর আচরণের তিনি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক স্বার্থের সাথে সম্পৃক্ত করতে পেরেছেন যা তার নিজের স্বার্থের থেকে আলাদা নয়।
1 Answers 4 Views
Translate into English: সাংস্কৃতিক আন্দোলন বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ ধারা। সাতচল্লিশ পরবর্তী সময় থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যে রাজনৈতিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, সংস্কৃতি ছিল তার প্রাণ। প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো মুক্তিসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সেই আদর্শকে সামনে রেখেই গণমানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে। কেবল সার্বভৌম রাষ্ট্রই নয়, স্বাধীন ও সংস্কৃতিবান মানুষও যে স্বাধীনতার পরিচায়ক, সে সময়ের সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও কর্মকান্ডে তার প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যায়।
1 Answers 4 Views
সারাংশ লেখ :জ্ঞান যে বাহুতে বল দেয়, জ্ঞানের তাই শ্রেষ্ঠ ফল নয়; জ্ঞানের চরম ফল যে তা চোখে আলো দেয়। জনসাধারণের চোখে জ্ঞানের আলো আনতে হবে, যাতে মানুষের সভ্যতার যা সব অমূল্য সৃষ্টি, তার জ্ঞান-বিজ্ঞান, তার কাব্যকলা, তার মূল্য জানতে পারে। জনসাধারণ যে বঞ্চিত, সে কেবল অন্ন থেকে বঞ্চিত বলে নয়, তার পরম দুর্ভাগ্য যে সভ্যতার এইসব অমৃত থেকে সে বঞ্চিত। জনসাধারণকে যে শেখাবে একমাত্র অন্নই তার লক্ষ্য, মনে সে তার হিতৈষী হলেও, কাজে তার স্থান জনসাধারণের বঞ্চকের দলে। পৃথিবীর যেসব দেশে আজ জনসংঘ মাথা তুলেছে, জনসাধারণের মধ্যে শিক্ষার প্রচারেই তা সম্ভব হয়েছে। তার কারণ কেবল এই নয় যে, শিক্ষার গুণে পৃথিবীর হালচাল বুঝতে পেরে জনসাধারণ জীবনযুদ্ধে জয়ের কৌশল আয়ত্ত করেছে। এর একটি প্রধান কারণ সংখ্যার অনুপাতে জনসাধারণের সমাজে শক্তি লাভের যা গুরুতর বাধা অর্থাৎ সভ্যতা লোপের আশঙ্কা, শিক্ষিত জনসাধারণের বিরুদ্ধে সে বাধার ভিত্তি ক্রমশই দুর্বল হয়ে আসে।
1 Answers 61 Views