1 Answers
রাসেলের অর্জিত আয় শরিয়তের আলোকে হালাল (বৈধ) হিসেবে গণ্য করা হবে। ইসলাম ধর্মে হালাল এবং হারাম উপার্জন সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। রাসেল তার উপার্জন বৈধ উপায়ে, যেমন একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করে উপার্জন করছেন, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে অনুমোদিত এবং প্রশংসনীয়।
শরিয়তের আলোকে হালাল আয়ের বৈশিষ্ট্য:
- বৈধ উপায়ে উপার্জন: ইসলামি শরিয়তে আয় বৈধ হতে হলে, তা অবশ্যই হালাল এবং বৈধ পেশা বা কাজের মাধ্যমে হতে হবে। রাসেল যেহেতু একটি প্রাইভেট ফার্মে বৈধভাবে কাজ করছেন, তার উপার্জন হালাল হিসেবে বিবেচিত হবে।
- অর্থ উপার্জনের পদ্ধতি: শরিয়ত অনুযায়ী আয় করতে হলে তা কোনো অবৈধ পদ্ধতি, যেমন চুরি, প্রতারণা, মাদকদ্রব্য ব্যবসা, সুদ বা যেকোনো ধরনের অন্যায় কাজের মাধ্যমে হওয়া যাবে না। রাসেলের আয় এইসব অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত।
- পরিশ্রমের মূল্যায়ন: বৈধভাবে আয় করা মানে হলো, একজন ব্যক্তি সৎ পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করেন। রাসেল তার নির্ধারিত বেতনে পরিশ্রমের মাধ্যমে আয় করছেন, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্মানিত।
শরিয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ আয়:
অপরদিকে, রিয়াজের মতো যারা অবৈধ উপায়ে যেমন মাদকদ্রব্যের ব্যবসার মাধ্যমে আয় করে, তাদের আয় শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম (অবৈধ)। ইসলামি হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে অবৈধ উপার্জন দ্বারা অর্জিত সম্পদ এবং শরীর উভয়ই জাহান্নামের ইন্ধন হবে।
রাসুল (স.)-এর হাদিসের প্রাসঙ্গিকতা:
রাসুল (স.) বলেছেন:
“যে শরীর অবৈধ উপার্জনে গঠিত, তা জাহান্নামের ইন্ধন হবে।”
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, অবৈধ উপার্জন মানুষের পরকালীন জীবনে কঠোর শাস্তির কারণ হতে পারে।
উপসংহার:
রাসেলের বৈধ উপার্জন এবং সৎ জীবনযাপন ইসলামের প্রশংসনীয় গুণাবলীকে তুলে ধরে। বৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থে জীবনযাপন করা মুসলমানদের জন্য শান্তি, বরকত এবং সাফল্যের কারণ। অন্যদিকে, রিয়াজের মতো অবৈধ উপার্জন শরিয়তের দৃষ্টিতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং তা থেকে দূরে থাকা জরুরি।