1 Answers

মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সর্বনিম্ন ক্ষতি করে বা কোনো ক্ষতি সাধন না করে স্বল্প খরচে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কাঙ্খিত উৎপাদ তৈরিই Green Chemistry এর মূল লক্ষ্য।

নীতিমালা:

১. বর্জ্য নিবারন: কল-কারখানায় উৎপাদিত বর্জ্য পরিষ্কার করার পরিবর্তে বর্জ্য যাতে উৎপন্ন না হয় এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিক্রিয়া ডিজাইন করতে হবে।

২. পারমানবিক মিতব্যায়িতা: উৎপাদ গঠন সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া এমন হতে হবে যাতে সর্বোচ্চ পরিমান বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে সর্বোচ্চ উৎপাদ গঠন করে।

৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ সংশ্লেষণ: শিল্প-কারখানায় সংশ্লেষণ পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত যাতে কম ক্ষতিকর পদার্থ উৎপন্ন হয়।

৪. নবায়নযোগ্য কাঁচামাল ব্যবহার: শিল্প-কারখানায় এমন কাঁচামাল ব্যবহার করা উচিত যা নবায়নযোগ্য ।

৫. প্রভারন: বিক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট এবং উপযুক্ত প্রভাবক ব্যবহার করতে হবে যাতে কম সময়ে অধিক উৎপাদ পাওয়া যায়।

5 views

Related Questions

শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views