1 Answers

উদ্দীপকের সুমনের মাঝে 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। 

শিক্ষা হচ্ছে জীবসত্তা থেকে মানবসত্তায় উত্তরণের পদ্ধতি বা মাধ্যম। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ অন্ধত্ব, কুসংস্কার থেকে মুক্তি পায়। শিক্ষার মাধ্যমেই মানুষ সত্যিকারের মনুষ্যত্বের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে। যারা অর্থ সাধনাকেই জীবনের প্রধান বিষয় মনে করে তারা শিক্ষার এবং প্রকৃত মনুষ্যত্বের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে না।

'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক মানুষের জীবনকে একটি দোতলা ঘরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। জীবসত্তা হলো সেই ঘরের নিচতলা আর মনুষ্যত্ব হলো উপরতলা। উদ্দীপকের সুমন উচ্চশিক্ষিত এবং পেশাগত জীবনে বড় ব্যবসায়ী। অনেক অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও সে সিডরে আক্রান্ত অসহায় মানুষদের সাহায্যের পরিবর্তে নামমাত্র মূল্যে তাদের জমি কিনে নেয়। এটি প্রকৃত শিক্ষার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নয়। আলোচ্য প্রবন্ধে মানুষের কেবল অন্ন, বস্ত্র ও অর্থ চিন্তার যে বিষয়টি তথা জীবসত্তার কথা বলা হয়েছে উদ্দীপকের সুমনের মধ্যে সেটি প্রকাশিত।

5 views

Related Questions

আধুনিক বিশ্বে শিক্ষাগত পরিবর্তন প্রক্রিয়া নানা কারণে গতিময় গয়ে উঠেছে। যোগযোগ ও আদান প্রদানের নতুন নতুন প্রযুক্তিগত মাধ্যম, আধুনিক পদ্ধতিতত্ত্ব, সর্বাধুনিক শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে দ্রুত পরিবর্তনআনতে সক্ষম হচ্ছে। শিক্ষাহলো একটি সামাজিক প্রকিয়া- যে প্রক্রিয়া – যে প্রক্রিয়া দ্বারা সমাজশক্তির কর্তৃত্ব ব্যক্ত হয়। আমাদের সমাজে িএই শক্তি রাষ্ট্রকেও প্রভাবিত করে। আবার এদেশের শিক্ষার একটি বৃহত্তম অংশ রাষ্্রের নিয়ন্ত্রণাধীন পরিচালিত। তাই সরকার যে শিক্ষানীতি ধার্য করেন সেই নীতি স্বাভাবিকভাবে সমজা ব্যবস্থা রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হয়। সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার ভূমিকা স্বীকৃতি আমরা আমেরিকান প্রয়োগবাদী শিক্ষা- দার্শনিক জন ডিউইয়ের আলোচনাতেও লক্ষ করি। তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু একটি ভিত্তিহীন প্রক্রিয়া নয়, এটি সামাজিক প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়া হলো একটি আদি- অন্তহীন গতি। এই গতি নিরবচ্ছিন্ন পরিবর্তশীল।শিক্ষা কোন কৃত্রিম গতি নয়। এটি মানবজীবনের স্বাভাবিক গতি- প্রক্রিয়া ।এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে সামাজিক পটভূমিকায় মানুষ তার জীবনকে পুর্গঠন করে। (Bengali to English)
1 Answers 5 Views
নারী পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। সৃষ্টির দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে উভয়ের মাঝে কোন পার্থক্য বা বৈষম্য নেই। সর্বক্ষেত্রে নারী আজ ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে নারী সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। নারী আজ তার মেধা ও কর্মদক্ষতার বলে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পদে অধিষ্ঠিত। তাই সার্বিক উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নারীর সম্পৃক্ততা একাত্ত্বই বাঞ্ছনীয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা, সম্পদ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নারীর পূর্ণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়ন কর্মকান্ডের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। অবশ্য বাংলাদেশ সরকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। (Translate into English)
1 Answers 8 Views